আড়ালে কেউ আপনাদের দেখছে না তো? হোটেল রুমে ঢুকেই খেয়াল করুন এই বিষয়গুলি
গোপন ক্যামেরা খুঁজে পাওয়ার একাধিক উপায় রয়েছে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ২০:২০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ২০:২০
১১০
ভ্রমণে গিয়ে নিশ্চিন্তে ছুটি কাটানোই তো আমাদের মূল লক্ষ্য, তাই না? কিন্তু আজকাল আরাম আর সাশ্রয়ের খোঁজে আমরা হোটেল বুকিং করার সময় অজান্তেই একটা বড় ঝুঁকি নিয়ে ফেলি। বহু অসাধুচক্র আপনার-আমার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো আমাদের অজান্তেই ক্যামেরাবন্দি করে নিচ্ছে। অথচ আমরা বেমালুম এসব কিছু না জেনেই নিজেদের মূল্যবান প্রাইভেসি বিকিয়ে ফেলছি। সামান্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলেই আপনি এই বিপদের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। চলুন, জেনে নেওয়া...
২১০
ঘরে ঢুকে সব আলো নিভিয়ে দিন। এবার আপনার মোবাইলের টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘরের চারদিকে ভালোভাবে স্ক্যান করুন। বিশেষ করে দেওয়াল, সকেট, ভেন্টিলেটর, বাথরুম, আয়না, এমনকী স্মোক ডিটেক্টর বা অ্যালার্মের দিকে নজর দিন। ক্যামেরার লেন্স টর্চের আলোয় চকচক করে উঠবে।
বাথরুম বা ঘরের দেওয়ালে যদি কোনও আয়না থাকে, তাতে আপনার আঙুল রাখুন। যদি আপনার আঙুলের প্রতিবিম্বের সঙ্গে কোনও ফাঁক না থাকে, অর্থাৎ আঙুল ও প্রতিবিম্ব একেবারে একসঙ্গে লেগে থাকে, তাহলে বুঝবেন সেটি একটি টু-ওয়ে মিরর। এর অপর পাশে ক্যামেরা লুকানো থাকতে পারে।
৪১০
আপনার স্মার্টফোনে Hidden Camera Detector বা Spy Camera Finder-এর মতো অ্যাপ ডাউনলোড করুন। এই অ্যাপগুলো ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাছাকাছি লুকানো ক্যামেরা খুঁজে বের করতে পারে।
Advertisement
৫১০
কিছু গোপন ক্যামেরা ব্লুটুথ ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সফার করে। আপনার ফোনের ব্লুটুথ চালু করে আশেপাশে অপরিচিত ব্লুটুথ ডিভাইস আছে কিনা তা চেক করুন। সন্দেহজনক কিছু পেলে সেটিকে ব্লুটুথ সেটিংসে গিয়ে ব্লক করুন।
ঘরের মধ্যে থাকা যেকোনও সন্দেহজনক সকেট, ইউএসবি অ্যাডাপ্টার, চার্জার বা ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ভালো করে পরীক্ষা করুন। ছোট ছিদ্র বা অতিরিক্ত তার দেখলে সতর্ক হোন।
Advertisement
৭১০
স্মোক ডিটেক্টর এবং এয়ার ভেন্টিলেটরে অনেক সময়ই গোপন ক্যামেরা লুকিয়ে রাখা হয়। এগুলোর কভার খুলে দেখুন ভেতরে কিছু আছে কিনা। তবে সাবধান, হোটেলের কোনও কিছু ভাঙার চেষ্টা করবেন না।
৮১০
হোটেলের ঘরে রাখা টেডি বিয়ার, ফুলদানি, দেওয়াল ঘড়ি বা অন্য কোনও শো-পিসের দিকে নজর দিন। এগুলোর মধ্যে ছোট ছিদ্র বা অস্বাভাবিক কিছু দেখলে সতর্ক হোন।
৯১০
বাজারে ওয়্যারলেস ক্যামেরার সিগন্যাল ডিটেক্টর পাওয়া যায়। ভ্রমণপিপাসু হলে এমন একটি ডিভাইস কিনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এটি ক্যামেরার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ধরে সেটির অবস্থান জানিয়ে দেয়।
১০১০
যদি আপনার কোনও কিছুতে সামান্যতম সন্দেহ হয়, তাহলে অবিলম্বে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান এবং তাদের সাহায্য চান। প্রয়োজনে পুলিশকে খবর দিতে দ্বিধা করবেন না। আপনার নিরাপত্তা সবার আগে। এই টিপসগুলো মেনে চললে আপনি আপনার হোটেল রুমকে গোপন ক্যামেরার বিপদ থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
রোনাল্ডো থেকে মেসি, ধোনির আগে নিজেদের ‘নাম’ ট্রেডমার্ক করেছেন যে ক্রীড়াবিদরা
তালিকায় আর কারা?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ২০:০৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ২০:০৬
১৭
‘ক্যাপ্টেন কুল’ নাম কিনছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভক্তদের দেওয়া ভালোবাসার নামকে এবার ট্রেডমার্ক করার জন্য আবেদন ধোনির। গত ১৬ জুন সরকারিভাবে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রি পোর্টালে আবেদনটি দেখা যাচ্ছে। ধোনিকে কেন্দ্র করে যে বিরাট ব্যবসায়িক ক্ষেত্র আছে, সেটাও ট্রেডমার্ক করার ক্ষেত্রে মাথায় রাখা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
২৭
কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তাঁর ক্যারিশমার জন্যও জনপ্রিয়। যে ডাকনামে তিনি জনপ্রিয়, সেই CR7 নাম ট্রেডমার্কের মাধ্যমে, পারফিউম, শার্ট, শর্টস এবং ঘড়ির পণ্য রয়েছে রোনাল্ডোর নাম। জানা যাচ্ছে, রোনাল্ডোর নামে ৫৩টি ট্রেডমার্ক রয়েছে।
বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিওনেল মেসিরও নিজস্ব ট্রেডমার্ক আছে। তবে তাঁর জন্য স্প্যানিশ সাইক্লিং ব্র্যান্ড 'MASSI'-র সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর তাঁর পদবি 'MESSI' নামটির স্বত্ব পান। ২০২২ সালে মেসি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেডমার্ক পেয়েছিলেন।
৪৭
বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমসের নামেও বিভিন্ন ট্রেডমার্ক রয়েছে। LBJ ট্রেডমার্কস, LLC, এমনকী 'মোর দ্যান অ্যান অ্যাথলিট' ও 'স্ট্রাইভ ৪ গ্রেটনেস'-এর মতো স্লোগানগুলিও তাঁর বিখ্যাত ট্রেডমার্কগুলির মধ্যে রয়েছে।
৫৭
জেমসের মতোই আরেক বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানেরও নিজস্ব ট্রেডমার্ক আছে। তাঁর বাস্কেটবল খেলার বিখ্যাত ছবি দিয়ে রয়েছে 'জাম্পম্যান' লোগো। ভক্তদের মধ্যে যা খুবই জনপ্রিয়। এই ব্র্যান্ডগুলি থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেন জর্ডান।
২০০৮ সালে শুরু করা রজার ফেডেরারের ব্র্যান্ড 'RF' নিয়ে প্রথমে নাইকির সঙ্গে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তবে তিনি ২০১৮ সালে স্বত্ব ফিরিয়ে আনেন। ২০২০ সালে থেকে সম্পূর্ণ মালিকানা তাঁর হয়।
৭৭
২০১৬ সালে সেরেনা উইলিয়ামস তাঁর কসমেটিক ব্র্যান্ড 'অ্যানেরেস'কে ট্রেডমার্ক করেন। আসলে সেরেনাকে উল্টো করে লিখলে এই শব্দটি দাঁড়ায়। এছাড়াও তিনি SWJ, সেরেনা ভেঞ্চারস, এস ওয়ার্ল্ড, সেরেন'স ওয়ার্ল্ড নামগুলি ট্রেডমার্ক করেছেন।
মৌনিকে মাঝেমাঝেই দেখা যায় বিভিন্ন সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে যেতে। আর সেখানে গিয়ে মৌনিকে দেখা যায় বিভিন্ন রকমের সুইমসুট ও বিকিনিতে সেজে উঠতে।
৭১১
বেড়াতে গিয়ে সেখানকার সৌন্দর্যের সঙ্গেই যেন তাল মিলিয়ে সাজতে ভালোবাসেন মৌনি। তা বোঝা যায় তার সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই।
৮১১
হটনেসের দিক দিয়ে এক আলাদা সংজ্ঞা তৈরি করেছেন মৌনী। উত্তরবঙ্গের মেয়ের স্টাইল স্টেটমেন্ট সত্যিই এককথায় লাজবাব।
৯১১
টেলি দুনিয়াতে 'কিউ কি সাস ভি কভি বহু থি', 'নাগিন' প্রভৃতি হিন্দি ধারাবাহিকের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন দর্শকের পছন্দের। কাজ করেছেন বহু হিন্দি ছবিতেও।
১০১১
মৌনির মা ও ঠাকুরদা ছিলেন থিয়েটারকর্মী। অভিনেত্রীর বাড়িতে ছিল বরাবর অভিনয়ের চর্চা। মৌনি নিজেও অভিনয়ের পাশাপাশি মৌনি নাচেও পারদর্শী। বাংলা ডান্স রিয়ালিটি শোয়ের বিচারক হিসাবেও দেখেছেন তাঁকে দর্শক।
১১১১
কুচবিহারের কন্যা মৌনি নিজের পরিবারের থেকে দূরে থাকলেও ভুলে যাননি নিজের শিকড়। সমস্ত বাঙালি রীতি নিতি নিয়ম করে পালন করেন মৌনি। (ছবি: মৌনির ইনস্টাগ্রাম)