থাইরয়েডের সমস্যায় জেরবার? ভুলেও ছোঁবেন না এই খাবারগুলি
থাইরয়েডকে বাগে আনতে এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৭:৫৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৭:৫৯
১৯
থাইরয়েডের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। গলার কাছে ছোট্ট প্রজাপতির মতো দেখতে এই গ্রন্থি। শরীরের বিপাক, বৃদ্ধি, ও বিকাশে এই গ্রন্থির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া এই গ্ল্যান্ড থেকে নির্গত হরমোন বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সাহায্য করে।
২৯
কোনও কারনে যদি থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত হরমোন ক্ষরণ করে তাহলে 'হাইপারথাইরয়েডিজম' দেখা দেয়। আবার প্রয়োজনের তুলনায় কম ক্ষরণে দেখা দেয় 'হাইপোথাইরয়েডিজম'। এই দুই ক্ষেত্রেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।
থাইরয়েড গ্রন্থির অতিক্ষরণ বা কম ক্ষরণে নানা শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হন রোগী। অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া, চুল ঝরে পড়া, হৃদস্পন্দনের মাত্রা কমে যাওয়া, শরীরে ক্লান্তি, বিপাক ক্রিয়া কমে যাওয়া প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়।
৪৯
থাইরয়েডের এই সমস্যা নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে শুধু ওষুধ নয়, পুষ্টিবিদদের মতে কিছু খাবার এড়িয়ে চললে মিলবে উপকার। থাইরয়েড থাকলে কী কী খাবেন না? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
Advertisement
৫৯
থাইরয়েড রোগ থাকলে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকোলি এবং সয়া জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এই সমস্ত সবজি 'গয়ট্রোজেন' সমৃদ্ধ, যা থাইরয়েড গ্রন্থির আয়োডিন শোষণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনকে প্রভাবিত করে।
সয়াবিন থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদনকে ব্যাহত করে। সয়াজাত খাবার একদমই খাওয়া উচিত নয়। এতে থাইরয়েডের সমস্যা বেড়ে যায়। এমনকী থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে এই খাবার খেলে হিতে বিপরীতও ঘটতে পারে। তাই, সয়াজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
Advertisement
৭৯
ফাস্ট ফুড ও প্যাকেটজাত খবার একদম নয়। প্রক্রিয়াজাত খাবারে বাড়তি নুন ও চিনি থাকে। এছাড়াও এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যা থাইরয়েডের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।
৮৯
থাইরয়েডের সমস্যায় আটা-ময়দা কিংবা এসব থেকে তৈরি সব ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা দরকার। এই খাবারগুলিতে রয়েছে গ্লুটেন। থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের কাজে বাধা তৈরি করে গ্লুটেন। ফলে এই জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন।
৯৯
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। সাদা ভাত, ময়দার রুটি, শুকনো ফল, পাকা কলা প্রভৃতি এড়িয়ে চলুন।
কয়েক বছর ধরেই ওই স্কুলে বর্ষার সময় এই আয়োজন হয়ে আসছে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৭:৫২
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৭:৫২
১৮
রীতিমতো লাইন করে দাঁড়িয়ে পড়ুয়ারা। পরপর ডাক পড়ছে তাদের। ছোট ছোট কচি-কাঁচাদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ। হইহই করে খেতে বসছে তারা। হবে নাই বা কেন? আজ যে রোজের মিড ডে মিল নয়। আজ পড়ুয়াদের জন্য রান্না হয়েছে ইলিশ মাছ। নিজস্ব চিত্র
২৮
রোজ ডিমভাত আর একটা সবজি। কোনও কোনও দিন পাতে পরে ডিম। কার আর ভালো লাগে রোজ রোজ এক পদ! এবার তাই স্বাদে বদল আনতে মিড ডে মিলে খাওয়ানো হল রকমারি ইলিশের পদ। দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতার একটি প্রাথমিক স্কুলে কচিকাঁচারা সেই ইলিশ খেল চেটেপুটে। নিজস্ব চিত্র
ফলতা এফপি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাতে পড়ল গঙ্গার সুস্বাদু ইলিশ। ফলতার হুগলি নদীর সেই ইলিশই এবার ছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিলে দেওয়া হল। ইলিশের রকমারি পদের আয়োজন ছিল ছাত্রছাত্রীদের জন্য। যার মধ্যে ছিল ইলিশ ভাজা, ইলিশভাপা সহ একাধিক পদ। নিজস্ব চিত্র
৪৮
স্কুলে কয়েক বছর ধরেই বছরের এই একটি দিন আয়োজন হয় ইলিশ উৎসবের। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তিলক নস্কর বলেন, "কচিকাঁচাদের পাতে যে ইলিশ দেওয়া হয়েছে, তা কিন্তু সমুদ্র থেকে ধরে আনা ইলিশ নয়। ফলতার হুগলি নদীতে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়া সুস্বাদু স্বাদের টাটকা ইলিশ।" নিজস্ব চিত্র
৫৮
পঠনপাঠনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে প্রতিদিনের স্বাদ বদলাতেই স্কুলে এই ইলিশ উৎসবের আয়োজন। স্কুলের ৪০৫ জন শিক্ষার্থী মহা আনন্দে চেটেপুটেই খেয়েছে ইলিশের রকমারি পদ। ইলিশ খেতে গিয়ে যাতে খুদে পড়ুয়াদের গলায় কাঁটা বিঁধে কোনও অসুবিধা না হয় সেজন্য সারাক্ষণই প্রধান শিক্ষক নিজে দাঁড়িয়ে থেকে খাওয়ান ছাত্রছাত্রীদের। নিজস্ব চিত্র
এদিন ইলিশ উৎসবের মেনুতে ছিল আলুভাতের সঙ্গে ইলিশ মাছের তেল, ইলিশ মাছ ভাজা ও ইলিশ ভাপা। প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলে এমন অভিনব এই ইলিশ উৎসব আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে কেবলমাত্র এসআই অফিস, ফলতার বি, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সক্রিয় সহযোগিতাতেই। নিজস্ব চিত্র
৭৮
আগামী বছরও এমন ইলিশ উৎসবের আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে। এমনই স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে। স্কুলে বসেই ইলিশ খেয়ে দারুণ খুশি খুদে পড়ুয়ারা। খুশি তাদের অভিভাবকরাও। পেটপুড়ে খেয়ে আনন্দ করতে দেখা গিয়েছে পড়ুয়ারা। নিজস্ব চিত্র
৮৮
স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও পরিবেশনের কাজে হাত লাগিয়েছিলেন। পড়ুয়াদের ইলিশ মাছ খাইয়ে তাঁরাও খুশি। নিজস্ব চিত্র
‘লাভ’ রিঅ্যাক্টে শুরু থেকে সাতজন্মের বন্ধন! কীভাবে প্রিয়ার সঙ্গে প্রেমকাহিনি শুরু রিঙ্কুর?
নাইট তারকার বিয়েতে আসছেন শাহরুখ?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৬:২৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৬:২৪
১৯
জুন মাসে বাগদান পর্ব সারা হয়েছে রিঙ্কু সিংয়ের। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের নভেম্বরে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ প্রিয়া সরোজের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে কেকেআর ক্রিকেটারের। কিন্তু কীভাবে প্রেমকাহিনি শুরু রিঙ্কু-সরোজের?
২৯
রিঙ্কু বলছেন, "২০২২-এ কোভিডের সময় ঘটনার সূত্রপাত। তখন মুম্বইয়ে আইপিএল চলছিল। আমার একটা ফ্যান পেজ থেকে প্রিয়ার ভোটপ্রচারের কিছু ফটো আপলোড করা হয়েছিল। যেগুলো প্রিয়ার বোন তুলেছিল।" আর সেখান থেকেই প্রেমকাহিনি শুরু।
রিঙ্কু বলেন, "ওই ছবিগুলো দেখেই আমার ওকে পছন্দ হয়ে যায়। মনে হয়, ও আমার জন্য আদর্শ। বেশ কয়েকবার মেসেজ করার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে ভাবি সেটা ঠিক হবে না।"
৪৯
কিন্তু তাঁদের প্রেমকাহিনি যেন দৈবলিখন! রিঙ্কু মেসেজ করতে চাননি। কিন্তু দেখেন প্রিয়া নিজেই রিঙ্কুর ছবিতে 'লাভ' রিঅ্যাক্ট করছেন। নাইট ক্রিকেটারের বক্তব্য, "তারপর আমি ওকে ইনস্টাগ্রামে মেসেজ করি। প্রথমে সপ্তাহে একবার-দু'বার। তারপর নিয়মিত। ২০২২-এ আমি ওর প্রেমে পড়ে যাই।"
৫৯
বাগদানের পর কি জীবনে কিছু বদল এসেছে? রিঙ্কু বলছেন, "আগে আমরা অনেক কথা বলতাম। সেটা একটু কমেছে। ও ওর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সাধারণ মানুষের কাজে ও ব্যস্ত থাকে। সংসদে যেতে হয়। হয়তো সকালে বেরোল, অনেক রাতে ফিরল। ফলে এখন কথা বলার সেভাবে সুযোগও পাওয়া যায় না।"
কিন্তু নভেম্বরে রিঙ্কুর বিয়েতে কি নাইট মালিক শাহরুখ খান থাকবেন? 'কিং' খান তো কথা দিয়েছিলেন রিঙ্কুর বিয়েতে নাচবেন। এমনকী আইপিএল উদ্বোধনের মঞ্চেও শাহরুখের সঙ্গে নেচেছিলেন রিঙ্কু।
৭৯
নাইট তারকা বলছেন, "বাগদানের আগে শাহরুখ স্যরের সঙ্গে কথা হয়। ওঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলাম। কিন্তু শুটিংয়ের জন্য ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। বিয়েতেও শাহরুখ স্যরকে আমন্ত্রণ জানাব। দেখা যাক, যদি উনি আসেন।"
৮৯
রিঙ্কু-প্রিয়ার বাগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। এছাড়াও ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডিম্পল যাদব এবং জয়া বচ্চন। হাজির ছিলেন বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা-সহ আরও গণ্যমান্য অতিথি।
৯৯
প্রিয়া সরোজ উত্তরপ্রদেশের মছলিশহর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি-র বিপি সরোজকে ৩০ হাজার ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বাবা তুফানি সরোজ তিনবার সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে তিনি কেরাকাটের বিধায়ক।