দিঘা মডেলে কোন্নগরের গঙ্গাপারকে ঢেলে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে পুরসভা। রাজ্যের পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে এই ফেরিঘাটকে কেন্দ্র করে এই প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। ছবি: সুমন করাতি
২৭
গঙ্গার পাড়েই তৈরি হবে কাফেটেরিয়া। তৈরি হবে গঙ্গার পার ধরে হাঁটা পথ। এই পথ দিয়ে গঙ্গার সৌন্দর্য দেখতে দেখতে পৌঁছে যাওয়া যাবে কোন্নগর শহরের অন্যতম বিশেষ স্থান অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়িতে। ছবি: সুমন করাতি
এই প্রকল্পের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। টাকা বরাদ্দের সবুজ সংকেতও মিলেছে। কোন্নগর পুরসভার পুরপ্রধান স্বপন দাস বলেন, "আমরা পুরসভার তরফ থেকে কোন্নগরকে সবসময় একটা আলাদা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ চালিয়ে যাই।আর ইতিমধ্যেই এই শহরের জন্য বহু কাজ করেছি।" ছবি: সুমন করাতি
৪৭
পুরপ্রধান আরও বলেন, "এবার আমরা পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটা বিশেষ প্রকল্প রূপায়ণ করতে চাইছি।" রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী ইতিমধ্যেই সব জেনে এই প্রকল্পে সবুজ সংকেতও দিয়েছেন। ছবি: সুমন করাতি
Advertisement
৫৭
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি ইতিমধ্যেই মানুষের বিশেষ আকর্ষণ। সাথে মিউজিয়ামও মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্যজুড়ে জনপ্রিয় ফেরিঘাটগুলিকে আধুনিকভাবে সাজিয়ে তুলে বাণিজ্যকেন্দ্র হিসাবে তুলে ধরার কাজ করছে পরিবহণ দপ্তর। আর সেই কারণেই কোন্নগর-এর এই প্রকল্পে রাজি হয়ে যায় পরিবহণ দপ্তর। তারপরেই সামনে আসে দিঘা মডেল। ছবি: সুমন করাতি
পুরসভার তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আলো থেকে স্থাপত্য নানাভাবে গঙ্গার পাড়কে মনোরম করে সাজিয়ে তোলা হবে। গঙ্গার পাড়ে একটি বিশেষ বহুতলও তৈরি হবে। যেখানে রেস্তরাঁ থেকে কাফেটেরিয়া সমস্ত কিছুই থাকবে। মানুষের জন্য আরও মনোরম হয়ে উঠবে কোন্নগর শহর। ছবি: সুমন করাতি
Advertisement
৭৭
কোন্নগর পুরসভা এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, "আগের কোন্নগরের সঙ্গে এখনকার শহরের অনেক তফাত হয়ে গিয়েছে। এখন আলাদা রকম ভাবেই সেজে উঠেছে আমাদের এই প্রাচীন শহর। আর আমাদের এই শহরের সঙ্গে অনেক ইতিহাস আছে। পুরসভা যে সেই সব দিক নজর দিয়ে এত সুন্দর কাজ করেছে, এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।" ছবি: সুমন করাতি
‘ট্রাকোমা’ মুক্ত ভারত, ‘মন কি বাত’-এ ঘোষণা মোদির, জানেন কী এই চক্ষুরোগ?
গুরুতর এই রোগ থেকে এখনও সতর্ক থাকতে হবে, রইল ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ১৭:৫৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ১৭:৫৯
১৭
ছত্রাক বাহিত গুরুতর এক চক্ষুরোগের নাম - ট্রাকোমা। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এই রোগ থেকে অন্ধত্বে পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। একটা সময় ভারতে ট্রাকোমা-আতঙ্ক ছিল। বিশেষত প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় পরিশুদ্ধ জলের অভাব, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থেকে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ত। শিশু থেকে বৃদ্ধ, ট্রাকোমার অভিশাপে ভুগতে হয়েছে অনেককেই।
২৭
ঠিক কী থেকে এই রোগ ছড়ায়? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মূলত অপরিচ্ছন্নতা থেকে এই ছত্রাক সংক্রমণ হয়ে থাকে। বিশেষত নোংরা জলে চোখ ধুলে এই রোগ হতে পারে। এছাড়া অনেক সময় মাছি দ্বারাও ট্রাকোমা সংক্রমণ মানবশরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
কীভাবে বুঝবেন আপনার চোখে ট্রাকোমা হয়েছে? বেশ কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে। প্রথমে চোখ ফুলে জল বেরতে থাকবে। চোখ জ্বালা হবে, চুলকানি টের পাবেন। তারপর ধীরে ধীরে আলো নিয়ে সমস্যা শুরু হবে। অর্থাৎ কোনও উজ্জ্বল আলো চোখে পড়লেই ব্যথা অনুভব করবেন। পরবর্তী ধাপে দৃষ্টি অস্বচ্ছ হতে থাকবে। এরপরও যদি চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ না নেন, তাহলে চোখের জ্বালা তো বাড়বেই, দৃষ্টি হারাতে থাকবেন।
৪৭
এই সংক্রমণ হলে প্রাথমিকভাবে ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে হবে। হাত ভালো করে হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধোয়ার পরই চোখে হাত দেবেন। নজর রাখতে হবে যে জল ব্যবহার করছেন, তা কতটা পরিষ্কার। নইলে ট্রাকোমা সংক্রমণ আপনার থেকে আপনার পরিবারের সদস্যদেরও হতে পারে।
৫৭
তবে চোখের এই সংক্রমণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছে গেলে তখন অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনও উপায় হাতে থাকে না প্রায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অপারেশনের মাধ্যমে চোখের যে অংশের ট্রাকিয়ায় সংক্রমণ ঘটেছে, তা বাদ দিতে হয়। তারপর কর্নিয়া ও চোখের পাতারও বিশেষ চিকিৎসা দরকার। যাতে দৃষ্টি ফের স্বচ্ছ হয় এবং চোখে কোনও সমস্যা না থাকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মতো বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশের জনস্বাস্থ্যে ট্রাকোমা বেশ সাধারণ একটা অসুখ। ঠিকমতো চিকিৎসা না হলে অন্ধত্ব ভবিতব্য। তাই তার নিরাময়ে উদ্যোগী হয়েছে WHO. সেইমতো ধাপে ধাপে গণচিকিৎসার মাধ্যমে তা নির্মূল করার পথে একটু একটু এগিয়েছে সমাজ।
৭৭
রবিবার 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, ''WHO জানিয়েছে, ভারত এখন ট্রাকোমা মুক্ত। এটি চোখের একটি রোগ।'' এই ঘোষণা দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। তবে কথাতেই আছে, 'সাবধানের মার নেই।' তাই ট্রাকোমা থেকে এখনও সতর্ক থাকতে হবে সকলকে।
প্যান্টি না পরেই রাস্তায়? গোপনাঙ্গ ঢাকতে হিমশিম খুশি
হাওয়ায় জামা উড়তেই কী হল? দেখুন...।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৫, ২১:৪৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৫, ২১:৪৫
১৭
খোলামেলা পোশাক পরায় ফের চর্চার শিরোনামে 'স্পিটস ভিলা' খ্যাত খুশি মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক ক্যাফের বাইরে পাপারাজ্জিরা তাঁকে দেখে ক্যামেরা তাক করেছিলেন। আর সেখানেই ক্যামেরাবন্দি হয় 'লজ্জার' মুহূর্ত।
২৭
দেখা গেল, কালো লং ড্রেস পরে রয়েছেন খুশি। যা কিনা কোমর পর্যন্ত চেরা। তবে গাড়ি থেকে নামতেই আচমকা হাওয়ায় পোশাক উড়ে গেল। আর তারপর?
খুশির ওই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে ফলক নাজ লেখেন, 'রাস্তায় যদি কেউ কুকুরকে খাবার দেয়, তাহলে সবাই আওয়াজ দেয়। আমি জানতে চাই, এই ধরণের পোশাক পরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলে কেউ কিছু বলে না কেন?' (ছবি- ইনস্টাগ্রাম)