বড়দিনে দার্জিলিং জমজমাট, হাউসফুল হোটেল-হোম স্টে! শীতের কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে মুখিয়ে পর্যটকরা
পাহাড়ে ভিড় করছেন পর্যটকরা।
আরও পড়ুন:
বুকিংয়ের ঝোঁক দেখে এমনটাই মনে করছেন রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির কর্তারা। ইতিমধ্যে হোমস্টেগুলোতে ৭৫ শতাংশ বুকিং শেষ। এতদিন শৈল শহরে ভিড় জমাতেন। এবার উল্টো ছবি। বড়দিনে আলপাইন, ওকের জঙ্গল, পাখিদের কলতান, রকমারি পাহাড়ি ফুলের জলসায় কয়েকদিন সময় কাটাতে বেশি পছন্দ করছেন পর্যটকরা। অন্তত বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর সংস্থার বুকিং থেকে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।
স্বভাবতই বিপত্তি বেড়েছে। কার্শিয়াং পাহাড়ের জঙ্গল ও চা বাগান ঘেরা দিলাররাম গ্রামের হোমস্টে মালিক সূরজ ছেত্রী বলেন, "কোনও উপায় নেই। ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরো বুক হয়ে আছে। নিরুপায় হয়ে পর্যটকদের ফেরাতে হচ্ছে।" তবে শুধু যে হোমস্টে-তে বুকিং চলছে তেমন নয়। এবার বড়দিনে দার্জিলিং ও কালিম্পং শহরের হোটেলগুলোতেও বুকিংয়ে ভালো সাড়া মিলেছে।
আরও পড়ুন:
দার্জিলিং হোটেল অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং পাহাড়ে সাড়ে তিনশো হোটেল রয়েছে। কালিম্পংয়ে দুশো। প্রতিটি হোটেলেই বুকিং চলছে। সবই বড়দিনের জন্য। রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু বলেন, "কয়েক বছর থেকে দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার পর্যটনকে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। সুফল মিলতে শুরু করেছে।