টেস্ট হারের ধাক্কা ভুলে সামনে নতুন অভিযান। রবিবার থেকে রাঁচিতে প্রথম ওয়ানডে শুরু। আর ওয়ানডে মানেই রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির মাঠে নামা। যা নিয়ে রাঁচিতে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠতে শুরু করেছে। ছবি: পিটিআই
২১০
দুই মহাতারকাকে নিয়ে প্রশ্ন এল ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের উদ্দেশে। স্বাভাবিক ভাবেই ২০২৭-র বিশ্বকাপে রো-কো খেলবে কি না, সেটার প্রসঙ্গও উঠল। ছবি: অমিত মৌলিক
তিনি বলেন, "যতক্ষণ তারা ফিটনেস ধরে রাখতে পারবে এবং পরিশ্রম করে যাবে, ততক্ষণ তাঁদের কোনও বিকল্প নেই। ওদের মতো অভিজ্ঞ প্লেয়ার আর কোথাও পাওয়া যাবে না। ওরা ট্রফি জিতেছে, জানে কীভাবে বড় প্রতিযোগিতায় খেলতে হয়। বিশ্বকাপ অনেক দূরে ঠিকই, তবে ফিটনেস ধরে রাখতে পারলে ওদের বিশ্বকাপে দেখা যাবে।" ছবি: পিটিআই
৭১০
রো-কো'কে নিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও ভাগ করে নেন মর্কেল। একসময় দু'জনের বিরুদ্ধে খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার। ছবি: পিটিআই
৮১০
তিনি বলেন, "ওদের বিরুদ্ধে খেলার আগে বহু রাত ঘুমোতে পারিনি। একজন বোলার হিসেবে জানতাম, ওদের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নেওয়া কতটা কঠিন।" ছবি: অমিত মৌলিক
৯১০
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভালো ফল হয়নি। ম্যাচের আগেই ধোনি-কোহলি রিইউনিয়নে মজে নেটপাড়া। বুধবার রাঁচিতে পৌঁছে গিয়েছেন বিরাট। বৃহস্পতিবার রোহিতের সঙ্গে অনুশীলন করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ছবি: পিটিআই
১০১০
বৃহস্পতিবার সন্ধেয় বিরাট পৌঁছে যান তাঁর প্রিয় মাহি ভাইয়ের বাড়িতে। সঙ্গে ছিলেন ঋষভ পন্থও। তারপর দুই তারকা ক্রিকেটারকে নিজের গড়িতে বসিয়ে হোটেলে পৌঁছে দেন মাহি স্বয়ং। তিনি গাড়ি চালাচ্ছেন, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে নেটদুনিয়ায়। ছবি: অমিত মৌলিক
বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির, এবার গোয়াতেও উঠবে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি!
ব্রোঞ্জের এই মূর্তি তৈরি করেছেন শিল্পী রাম সুতার।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৯:২৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৯:২৬
১৬
আধ্যাত্মিকতার পথ বেয়ে গোয়ায় পর্যটনে নয়া মাত্রা যোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার দক্ষিণ গোয়ার শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠে উন্মোচিত হল ৭৭ ফুট উচ্চতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমূর্তি। এদিন গোয়ার রাম মন্দির পরিদর্শনও করেন প্রধানমন্ত্রী।
২৬
শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টে নাগাদ এই মঠে এসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগমন উপলক্ষে আশ্রমের ভিতরেই এক হেলিপ্যাড তৈরি করে রেখেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন গোয়ার রাজ্যপাল অশোক গজপতি রাজু, মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপাদ নায়ক এবং গোয়া মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
সেখানেই ৭৭ ফুট উচ্চতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমূর্তি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রোঞ্জের এই মূর্তি তৈরি করেছেন শিল্পী রাম সুতার। এর আগে গুজরাটে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি স্ট্যাচু অফ ইউনিটি তৈরি করেছিলেন এই শিল্পী।
৪৬
জানা যাচ্ছে, গোয়ার এই জীবোত্তম মঠ ভারতের প্রাচীন মঠগুলির মধ্যে একটি। ৫৫০ বছরের পুরনো এই মঠের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন সেখানেই উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী।
৫৬
এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠ দীর্ঘ বছর ধরে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এসেছে, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে এই মঠ।" একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "একটি জাতির অগ্রগতি সম্মিলিত শক্তির উপর নির্ভর করে। ফলে বিকশিত ভারতের পথ সেই ঐক্যের মধ্য দিয়েই যায়।"
বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমন্দির উদ্বোধনের পাশাপাশি মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি ডাক টিকিট ও স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে সরকারের তরফে। এছাড়া এই মঠে মিউজিয়াম ও আধুনিক থ্রিডি থিয়েটার চালু করার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শরীরজুড়ে শুধুই সেফটিপিন! জলপাইগুড়ির বাজার কাঁপানো ‘সেফটিপিন ম্যান’ আসলে কে?
শিশুরা তাঁকে ডাকে সেফটিপিন দাদু বলে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৮:২৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৮:২৭
১৭
শরীরের বিভিন্ন অংশ ঢাকা রয়েছে সেফটিপিনে। তিনি 'সেফটিপিন ম্যান'। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির বাজারে একডাকে তাঁকে প্রায় সকলেই চেনেন। তাঁকে ঘিরে ক্রেতা-সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহলও কম নয়।
২৭
কিন্তু আসলে কে এই ব্যক্তি? জলপাইগুড়ি জেলার ফালাকাটার মসলা পট্টির বাসিন্দা তিনি। নাম অধীর বর্মন। ৬০ বছর পেরিয়ে যাওয়া এই বৃদ্ধ বাজারে ঘুরে ঘুরে এভাবেই সেফটিপিন বিক্রি করেন।
তাঁকে দেখলে প্রথমে খানিক ভীত, হতবাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকতেই পারে। কারণ, মাথার টুপি, জামা, প্যান্ট-সহ একাধিক জায়গায় ঝুলছে শয়ে শয়ে সেফটিপিন।
৪৭
এদিন দেখা গেল ফালাকাটার বাসিন্দা অধীর বর্মন ময়নাগুড়ি বাজারে ঘুরে ঘুরে সেফটিপিন-সহ নানা জিনিস নিজের শরীরের মধ্যে রেখে বিক্রি করছেন। সেই সঙ্গে তাঁর টুপি, জাম, প্যান্ট সকল কিছুর মধ্যেই সেফটিপিন গাঁথা। তাই তাঁকে খদ্দেররা সেফটিপিন ম্যান বলে ডাকেন। অন্যদিকে শিশুরা তাঁকে ডাকে সেফটিপিন দাদু বলে।
৫৭
এই ডাক শুনে তিনি কখনও রাগ করেন না। এমনই জানিয়েছেন, অধীর বর্মন। তাঁর কথায়, "এই ডাক আমার বেশ ভালোই লাগে। গত তিনবছর থেকে আমি এই সাজে সজ্জিত হয়ে ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন গ্রাম, হাটবাজারে সেফটিপিন-সহ অন্যান্য জিনিস ফেরি করছি।"
বাজারের প্রতিটি মানুষ এই সেফটিপিনে সুসজ্জিত মানুষটিকে দেখার জন্য ভিড় জমান বিভিন্ন জায়গায়। অধীর বর্মন আরও জানিয়েছেন, তিনি সেফটিফিনের ব্যবসা করে অনেকটাই লাভবান। অনেক ক্রেতা বাজার থেকে অনেক কম মূল্যে সেফটিপিন-সহ, আলপিন ও অন্যান্য জিনিস কিনতে পারছেন তাঁর থেকে।
৭৭
ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় তিনি সেফটিপিন ম্যান হিসেবে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ক্রেতারা জানাচ্ছেন, কম দামে তাঁর থেকে জিনিসপত্র কেনা যায়। ক্রেতারা বলেন, "আগে কখনও এই ধরনের সাজে কোনও মানুষকে ব্যবসা করতে দেখিনি।"