চিনের ‘নোয়ার নৌকো’, প্রাকৃতিক প্রলয় থেকে পরমাণু বিস্ফোরণ, অবিচল থাকবে ‘ভাসমান দ্বীপ’
যাবতীয় নাগরিক সুবিধা থাকবে এই ভাসমান দ্বীপে।
দূষণ থেকে উষ্ণায়ন, উষ্ণায়নের জেরে প্রলয়ঙ্করী ঝড়, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে শত্রু দেশের পরমাণু অস্ত্রের হুঁশিয়ারি। এই দুইয়ের 'রক্ষাকবচ' তৈরি করছে চিন। বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম ভাসমান দ্বীপ নির্মাণ করছে তারা। যা পারমাণবিক বিস্ফোরণ এবং সব ধরনের চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সরকারিভাবে দ্বীপটিকে 'ডিপ-সি অল-ওয়েদার রেসিডেন্ট ফ্লোটিং রিসার্চ ফ্যাসিলিটি' নামে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। যদিও চিন এটিকে নাগরিক বৈজ্ঞানিক পরিকাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর নকশায় পারমাণবিক বিস্ফোরণ প্রতিরোধের সামরিক মানদণ্ড জিজেবি ১০৬০.১-১৯৯১ ব্যবহার করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আধনিক 'নোয়ার নৌকোর' কাজ সম্পূর্ণ হবে ২০২৮ সালে।