এবার দুর্গার ঘোড়ায় আগমন, পুজোয় অতিবৃষ্টি বা প্যাচপ্যাচে গরমের আশঙ্কায় পুরোহিতকুল
পুরোহিতরা বলছেন, দেবী দুর্গার আগমন গমন খুব একটা শুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
দুর্গা আসছেন ঘোড়ায়। যাচ্ছেনও তাই। শেষ যেমনটা হয়েছিল ২০১৯-এ। তারপর গত চার বছরে এমনটা হয়নি। ২০২১-এ মা দুর্গা ঘোটকে এলেও ফিরেছিলেন দোলায়। কিন্তু এবার আবার আগমন গমন দুই-ই ঘোটকে। পাঁজিপুথি ঘেটে শাস্ত্রজ্ঞদের কপালে ভাঁজ। এর ফল যে ছত্রভঙ্গ! কী বিশুদ্ধ পঞ্জিকা, কী গুপ্ত প্রেস, দুই পাঁজিতেই এর অর্থ এক। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুরোহিতরা বলছেন, দেবী দুর্গার আগমন গমন খুব একটা শুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে না। কিন্তু বিধি বাম। শাস্ত্র বিশারদদের যুক্তি, সপ্তমী আর দশমী, শনি মঙ্গলবারে পড়লে কিছু করার নেই। দেবীর আগমন গমন সেক্ষেত্রে ঘোটকেই হবে। এবারও যেমন সপ্তমী পড়েছে ২১ অক্টোবর শনিবার। দশমী পড়েছে ২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
সর্বভারতীয় প্রাচ্য বিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ ড. জয়ন্ত কুশারী জানিয়েছেন, দেবীর ঘোটকে আগমন। শাস্ত্র অনুযায়ী, যার ফল ছত্রভঙ্গ স্তুরঙ্গমে। জয়ন্ত কুশারীর কথায়, সমাজ এবং আবহাওয়া। ছত্রভঙ্গ মানে চারিদিকেই একটা এলোমেলো ভাব লক্ষ করা যাবে। পুরোহিতকুলের আশঙ্কা এবার পুজোতে হয় আকাশ ভাঙা বৃষ্টিতে ভাসবে শহর, কিংবা প্যাচপ্য়াচে গরমে নাভিশ্বাস অবস্থা হবে। খুব একটা মনোরম আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা নেই। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
ছত্রভঙ্গের প্রভাব দেখা যাবে রাজনীতির আয়নাতেও। পুজোর চারদিনও শাসক বিরোধীর দাড়ি টানাটানি লেগেই থাকবে বলে মনে করছেন শাস্ত্রজ্ঞরা। পুরোহিত শমিত শাস্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও নিয়ম আচার মেনে এই ছত্রভঙ্গ ফল থেকে রক্ষা মেলে না। এ অনেকটা ঝড়ের মতো। আসবেই। শুধু কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।