শেহওয়াগ-কার্তিক থেকে কুর্তোয়া, বন্ধুদেরই ‘বিশ্বাসঘাতকতায়’ সংসার ভেঙেছে যে খেলোয়াড়দের!
তালিকায় আর কে?
সম্প্রতি বিসিসিআইয়ের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন মিঠুন মানহাস। এক সাংবাদিকের বক্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয় মিঠুনের সঙ্গে আরতি শেহওয়াগের সম্পর্ক নিয়ে। কে এই আরতি? তিনি বীরেন্দ্র শেহওয়াগের স্ত্রী। শেহওয়াগের সঙ্গে আরতির ২০০৪ সালে বিয়ে হয়। তাঁদের দুই পুত্রসন্তান রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তাঁদের ২০ বছরের বিবাহিত জীবনে দাঁড়ি পড়তে চলেছে বলে খবর।
তামিলনাড়ু ও ভারতীয় দলের সতীর্থ দীনেশ কার্তিকের স্ত্রী নিকিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন মুরলী বিজয়। পরে কার্তিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মুরলীকে বিয়ে করেন অন্তঃসত্ত্বা নিকিতা। মুরলী বিজয় এবং দীনেশ কার্তিক একসময় ভালো বন্ধু ছিলেন, কিন্তু অবশেষে তাদের বন্ধুত্বের অবসান ঘটে। কার্তিক পরে দীপিকা পাল্লিকলকে বিয়ে করেন।
আরও পড়ুন:
ব্রেট লি ২০০৬ সালের জুন মাসে লিজ কেম্পকে বিয়ে করেন। তারপর ডাক্তারি ছেড়ে দেন লিজ। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে দাম্পত্যে ফাটল দেখা যায়। জানা যায়, ক্রিকেটের জন্য প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকার সময় এক রাগবি খেলোয়াড়ের সঙ্গে লিজের সম্পর্ক তৈরি হয়। সেটা জানার পরই বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন লি। তাঁদের একটি সন্তানও আছে।
আরও পড়ুন:
আলোচনা কম হয়নি মাউরো ইকার্ডিকে নিয়েও। আর্জেন্টিনার সতীর্থ ম্যাক্সি লোপেজের স্ত্রী ওয়ান্ডা নারার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে বিয়েও করেন। এমনকী গোল করার পর ম্যাক্সি ও ওয়ান্ডার সন্তানদের গোল উৎসর্গ করেন ইকার্ডি। যার পর ইন্টারের স্ট্রাইকারের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হননি ম্যাক্সি। এখন অবশ্য ইকার্ডি ও ওয়ান্ডার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে।