‘ফুটবলে রাজনীতি কেন?’, ট্রাম্পের শান্তি পুরস্কার নিয়ে ফিফার সমালোচনায় প্রাক্তন সভাপতি
কী বলছেন নেটিজেনরা?
বহু চেষ্টা করেও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেছিল ইজরায়েল-পাকিস্তানের মতো একাধিক দেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলনেতা মারিয়া করিনা মাচাদো। তবে এবার শান্তির জন্য ফিফার কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হয়তো দুঃখ ঘুচল তাঁর। ট্রাম্পের হাতে শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। যা নিয়ে...
আরও পড়ুন:
বিষয়টাকে ভালো নজরে দেখছেন না ব্লাটার। তিনি বলছেন, "আমি জানি না আমার উত্তরসূরি কে, ট্রাম্প নাকি ইনফান্তিনো? আমার মনে হয় এটা ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে করা হচ্ছে। বিশেষত ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এটা বলতেই হয়। এখন খেলাধুলাকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। একদিকে রয়েছে সৌদি আরব। অন্যদিকে আমেরিকা। এরাই ধীরে ধীরে ক্রীড়াজগৎ দখল করে নেবে।"
ফুটবল সাংবাদিক জ্যাক লোয়ি আবার বলছেন, "ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া লুইস সুয়ারেজকে মানুষের কান না কামড়ানোর জন্য পুরস্কার দেওয়ার সমান।" আর নেটিজেনরা আবার একধাপ এগিয়ে মন্তব্য করছেন, "আমরা দেখতে চাই ফিফা ভবিষ্যতে এমন পুরস্কার আর কাউকে দেয় কি না।" তাঁরা আরও বলেছেন, ফিফা এই অনুষ্ঠানকে যেন ফুটবলের হলিউডি সংস্করণ বলে মনে হচ্ছিল।
আরও পড়ুন:
এবার ফিফা শান্তি পুরস্কার পেয়ে ফের জোর গলায় ট্রাম্প বলেন, “আমার জীবনের অন্যতম সেরা সম্মাননা এটা। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি আমরা। কঙ্গোয় ১ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, খুব দ্রুত আরও ১ কোটি মৃত্যুর দিকে যাচ্ছিল। ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও আমরা যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগেই তা থামাতে পেরেছি।”
পুরস্কার তুলে দেওয়ার আগে যে প্রোমো দেখানো হয়, সেখানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা যায় নরেন্দ্র মোদিকে। ফিফার ভাষায়, শান্তির জন্য ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যই এবার শান্তি পুরস্কার পেলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পকে যে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়, তা পড়ে শোনান তিনি। সেখানে বলা হয়, বিশ্বের ফুটবলপ্রেমী কোটি কোটি মানুষের পক্ষ থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসে মার্কিন...