কোথাও থিম ‘কালপ্রিয়া’, কোথাও ‘কালজয়ী’! শহরের নামী এই ৫ পুজোয় কী চমক?
দুর্গাপুজোর মতোই কালীপুজোতেও থিমের রমরমা।
আরও পড়ুন:
পুজো উদ্যোক্তাদের কথায়, মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। এই সমাজে নানা শ্রেণি, নানা পেশার মানুষ রয়েছেন। যাঁরা একে অপরের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এমন মানুষও রয়েছেন তাঁদের ছাড়া এই সমাজ চলতে পারে না। তার মধ্যে যেমন রয়েছে কৃষক, রাজমিস্ত্রি, দর্জি, কুমোর, মুচি, মেথর। পুজো উদ্যোক্তাদের কথা অনুযায়ী, অনেক সময় এই সমস্ত মানুষকে নিম্ন শ্রেণির বলে অবজ্ঞা করা হয়। পরিশ্রমের সঠিক মূল্য এবং সম্মান দেওয়া হয় না। সেকথা মাথায়...
প্রচলিত কৃষ্ণকালীর গল্পগাথাকে মাথায় রেখে সেজে উঠেছে এই ক্লাবের মণ্ডপ। উদ্যোক্তাদের কথায়, একটা সময় ঠাকুমা পুজো করতেন ফুল, জল, বাতাসা, নৈবেদ্য সাজিয়ে। ঘরের আনাচ কানাচ, পুরানো আসবাব-পত্র ও ঝুলের মধ্যে মিশে যেত ধূপ আর কর্পূরের গন্ধ। একটা অন্যরকম ভালো লাগা ছিল। কিন্তু আজ তা বদলে গিয়েছে বলে মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা। তাঁদের কথায়, কৃষ্ণকালীর গল্প অন্যভাবে আসে। যে আবির্ভাবে দেবী শাক্ত এবং বৈষ্ণব ধারার সংমিশ্রণে...
আরও পড়ুন:
শিল্পী তাপস দত্তের কথায়, যা চিরন্তন যুগান্তকারী বা অনন্তকাল ধরে স্থায়ী এবং কালের গণ্ডি পেরিয়েও যা প্রাসঙ্গিক সেই হল 'কালজয়ী'। তাঁর কথায়, শিশুর মতো পুরনো আর কিছুই নেই। প্রাপ্তবয়স্করা সময়, স্থান এবং সংস্কৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, কিন্তু শিশু গত লক্ষ লক্ষ বছর ধরে একই রয়ে গিয়েছে। যা চিরন্তন এবং অপরিবর্তনীয়। একইভাবে ঈশ্বরও আমাদের জীবনে আজও প্রাসঙ্গিক। তাই 'শিশু মন' এবং 'মা কালী' ই যেন 'কালজয়ী'...
পুজো উদ্যোক্তারা বলছেন, ক্ষুদিরাম বসু আঠারো বছরের এক তরুণ, যিনি স্বাধীনতার স্বপ্নকে রক্তদানে রাঙিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর হাসিমাখা মুখ আর আত্মত্যাগ আজও সাহস জোগায়। সেই ভাবনা থেকেই তৈরি এই পুজো মণ্ডপ। তাঁরা বলছেন, এই কালীপুজোর শিল্প ভাবনায় ধরা পড়েছে সেই অদম্য পরাক্রমের প্রতীক। সেখানে শিকল ভাঙার শব্দ, আগুনের দীপ্তি আর তরুণ মুখের স্মৃতি মিলেমিশে ওঠে। তাই 'পরাক্রম' কেবল ইতিহাস নয়, আজকের আহ্বান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি...