গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নেটদুনিয়ায় উষ্ণতা বাড়াচ্ছেন বাংলা টেলিভিশনের পুরুষরা। এক্ষেত্রে প্রথমেই রণজয় বিষ্ণুর নাম করা যায়। কারণ সাম্প্রতিক ছবিটি তাঁরই।
২৭
তীব্র এই গরমে সুইমিং পুলের জলে শান্তি খুঁজে পেয়েছে 'কোন গোপনে মন ভেসেছে'র অনিকেত। তাঁর ছবিটি তুলেছেন সায়ন্তন দত্ত।
'ফুলকি'র রোহিত অর্থাৎ অভিষেক বসুও কিছু কম যান না। মেদহীন চেহারায় ক্যামেরার সামনে তিনিও পোজ দিয়েছেন। আর তাতেই বেড়েছে সোশাল মিডিয়ার তাপমাত্রা।
৪৭
একসময় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিষেক। তার জন্য নিজের ওজনও বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু এখন নায়ক একেবারে স্লিম অ্যান্ড ট্রিম।
Advertisement
৫৭
প্রায় দুই বছর পর বাংলা টেলিভিশনের নায়ক হয়ে ফিরছেন শন বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন ধারাবাহিক 'রোশনাই'য়ে দেখা যাবে তাঁকে। তবে সুইমিং পুলের এই ছবি দেখলে চোখ ফেরায় কার সাধ্যি!
নিজের ভোল একেবারে পালটে ফেলেছেন রোহন ভটাচার্য। নায়কের এই শার্টলেস ছবি দেখলে তরুণীকূল বলে উঠতেই পারেন 'তুমি আশেপাশে থাকলে', মন মেজাজ সবই ভালো থাকবে।
Advertisement
৭৭
কখনও মিষ্টি ছেলে আবার কখনও দুষ্টু প্রেমিক। বাংলা টেলিভিশনে নানা রূপে ধ্রুবজ্যোতি সরকারকে দেখা যায়। আর সোশাল মিডিয়ায় তারকা ক্যামেরার সামনে ধরা দেন বিন্দাস মেজাজে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
‘ম্যাডাম’ আধুনিকা! স্বর্ণযুগের ‘ফ্যাশন আইকন’ সুচিত্রা সেন এগিয়ে ছিলেন সময়ের থেকে
সেই আমলে সমুদ্র সৈকতে নিজেকে শুধু তোয়ালেতে মুড়েছিলেন 'মিসেস সেন'। দেখুন 'দ্য ফ্যাশন আইকন' সুচিত্রার অ্যালবাম।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৪, ১৪:৪৮
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৪, ১৪:৪৮
১১১
মহানায়িকা যতটা সমকালীন, ততটাই চিরকালীন। তিনি স্রেফ অভিনয় জগতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। বরং হয়ে উঠেছিলেন একটি আদ্যোন্ত ব্র্যান্ড।
২১১
বাঙালি নারীর স্টাইল-আইকন সুচিত্রা সেন। বরাবরই অতি আধুনিকা, সুবেশা, মার্জিত, রুচিশীল এক নারী। যার পোশাক থেকে অঙ্গসজ্জা- কয়েক দশক বাদে গিয়েও ফ্যাশন দুনিয়াকে মুগ্ধ করে।
সঞ্জীব কুমার, ধর্মেন্দ্র, দেবানন্দ সকলেই ছিলেন দাপুটে 'ম্যাডাম'-এ মুগ্ধ। জানেন কি সুচিত্রাকে 'স্যার' বলে সম্বোধন করতেন স্বয়ং গুলজার। এই প্রজন্মের কথায়, 'বস লেডি'।
সেই আমলের অনেক মহিলাই সুচিত্রার শাড়ি পরার ধরন নকল করতেন। ম্যাডামের গয়নার কালেকশন দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার জোগাড় হত তখনকার নায়িকাদের।
৭১১
এই শতকেও যখন নায়িকারা বিকিনিতে ট্রোল হন। তখন সেই আমলে সমুদ্র সৈকতে নিজেকে শুধু তোয়ালেতে মুড়ে ক্যামেরার জন্য পোজ দিয়েছিলেন রিনা ব্রাউন।
৮১১
বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম বোল্ড হওয়ার সাহস তিনিই দেখিয়েছিলেন। আদ্যোপান্ত ঘরোয়া লুকে যেমন মানিয়ে যেত সুচিত্রা সেনকে। তেমনই পশ্চিমী পোশাক ক্যারি করতে পারতেন দারুণভাবে।
৯১১
সুচিত্রাই শাড়ির সঙ্গে স্লিভলেস ব্লাউজ ট্রেন্ড শুরু করেন। তাঁর লেসের ব্লাউজ, শাড়ির কালেকশনও ছিল দেখার মতো। মহানায়িকার শিফন কিংবা প্রিন্টেড শাড়ির কদর ছিল তখনকার সম্ভ্রান্ত পরিবারের মহিলাদের মধ্যে।
১০১১
লাউঞ্জ ওয়্যার হোক বা যে কোনও ওয়েস্টার্ন পোশাক মিসেস সেন কিন্তু বরাবরই ফ্যাশন ট্রেন্ড সেট করে গিয়েছেন। আজকের নারীদের কাছেও তিনি ফ্যাশন আইকন।
১১১১
'ম্যাডাম' আধুনিকা। সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে ছিল সুচিত্রা সেনের ফ্যাশন সেন্স।