দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে মৃত্যু ৬০ হাজারেরও বেশি পেঙ্গুইনের! নেপথ্যে শুধুই জলবায়ু পরিবর্তন?
কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৭:০৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৭:০৫
১৮
দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে মৃত্যু হয়েছে ৬০ হাজারেরও বেশি পেঙ্গুইনের। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনটাই দাবি করা হয়েছে। তারপরই উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। চিন্তায় রয়েছেন পরিবেশবিদরাও।
২৮
পেঙ্গুইনদের মৃত্যুর নেপথ্যে কি শুধুই জলবায়ু পরিবর্তন? তেমনটা নয়। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, উপকূল অঞ্চলে সার্ডিন মাছের সংখ্যা আচমকা কমে গিয়েছে। ফলে অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে পেঙ্গুইনরা।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০০৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন উপনিবেশে ৯৫ শতাংশেরও বেশি আফ্রিকান পেঙ্গুইনের মৃত্যু হয়েছে। পেঙ্গুইনদের ‘মোল্টিং’ (বছরের যে নির্দিষ্ট সময়ে পেঙ্গুইনদের পালক ঝড়ে যায় এবং নতুন পালক গজায়) ঋতুতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে সার্ডিন মাছ ধরায় এই বিপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
৪৮
পেঙ্গুইনদের মূল খাদ্য হল এই সার্ডিন মাছ। তবে শুধু এদের ধরা নয়, পরিবেশগত কারণেও এদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। তীব্র খাদ্য সংকটের কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে হাজার হাজার পেঙ্গুইনের।
Advertisement
৫৮
ব্রিটেনের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সংরক্ষণ কেন্দ্রের গবেষক ডঃ রিচার্ড শার্লি বলেন, “গত তিন দশকে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।”
‘মোল্টিং’ ঋতুতে প্রায় ২১ দিন স্থলে থাকতে হয় পেঙ্গুইনদের। সেই সময়ে তাদের পুরনো পালক ঝড়ে যায়। নতুন পালক গজায়। স্থলে থাকার কারণে কিছু খেতে পারে না তারা। তাই কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই পেঙ্গুইনরা সার্ডিন মাছ খেয়ে গায়ে অতিরিক্ত চর্বি জমিয়ে রাখে। যাতে অনাহারে তাদের মৃত্যু না হয়।
Advertisement
৭৮
কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকুলে সার্ডিন মাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পয়েছে। ফলে ‘মোল্টিং’ ঋতুতে অনাহারে মৃত্যু হয়েছে বহু পেঙ্গুইনের।
৮৮
আফ্রিকা মহাদেশে একমাত্র পেঙ্গুইনের প্রজাতিই হল এই আফ্রকান পেঙ্গুইন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং খাদ্য সংকটের কারণে আগামী দশকের মধ্যেই আফ্রকান পেঙ্গুইন বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
‘জো শহিদ হুয়ে হ্যায় উনকি’, বিজয় দিবসের আগে শহিদ সম্মানে ১৩৫০ কিলোমিটার বাইক র্যালি সেনার
২৫ নভেম্বর এই বাইক র্যালি শুরু হয়।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৪:০২
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১৪:০২
১১০
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। ৯৩ হাজার পাক সৈন্য আত্মসমর্পণ করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই সবচেয়ে বড় আত্মসমর্পণ। ভারত ওই দিনটিকে বিজয় দিবস হিসাবে পালন করে।
২১০
সেনা প্রতিবছরই সেই যুদ্ধে প্রাণ হারানো ভারতীয় সৈনকদের সম্মান জানায়। এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তরফে একটি বাইক র্যালির আয়োজন করা হয়। যা আজ, রবিবার কলকাতায় শেষ হয়েছে।
২৫ নভেম্বর এই বাইক র্যালি শুরু হয়। ১৯৭১ সালের বিজয়কে সম্মান জানাতে, মোট ৭১ জন সার্ভিস রাইডার ও ৭১ জন সিভিল রাইডার র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। অংশ নিয়েছিল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিও।
৪১০
অসমের গুয়াহাটি থেকে শুরু হওয়া এই র্যালি ১৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। ডিমাপুর, তেজপুর, শিলং, গুয়াহাটি, সুকনা, হিলি, শিলিগুড়ি, মালদহ, পানাগড় ও নবগ্রাম হয়ে জওয়ানদের বাইক র্যালি কলকাতায় প্রবেশ করে।
৫১০
যাত্রাপথে আলবার্ট এক্কা, করিমগঞ্জ, কিলপাড়া, সুকনা, বগুড়া এবং হিলিতে স্মৃতিস্তম্ভে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন তাঁরা।
র্যালির শেষ পর্বের নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি, পিভিএসএম, ইউওয়াইএসএম, এভিএসএম, এসএম, জিওসি-ইন-সি, ইস্টার্ন কমান্ড।
৭১০
র্যালিটি কলকাতার মধ্যে ২৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় স্মারকে বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এখানেই র্যালিটি শেষ হয়েছে।
৮১০
এদিনই চলতি বছররে বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। চলবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
৯১০
১৯৭১-এর যুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এই সিদ্ধান্তে অবাক হয়ে গিয়েছিল বিশ্ব।
১০১০
বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ে প্রাণ যায় ভারতীয় জওয়ানদের। তাঁদের আত্মত্যাগ ভারতীয় সৈন্যের যুদ্ধের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তাঁদের সম্মান জানাতেই বিজয় দিবস পালন করে ভারত সরকার ও সেনাবাহিনী।
নিম-মিছরি থেকে সজনে পাতার পরোটা, জানুন ‘ফিট’ প্রধানমন্ত্রী মোদির গোপন ৫ খাদ্যাভাস
যোগাভ্যাসের পাশাপাশি মেনে চলেন বিশেষ ডায়েট।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ১৮:৫৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ১৮:৫৫
১১১
৭৫-এও তিনি একদম ফিট। সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ভোরে উঠে শরীরচর্চা করেন। তাঁর মতো কর্মঠ ও একনিষ্ঠ মানুষ খুব কম দেখেছে দেশবাসী। যোগাভ্যাসের পাশাপাশি মেনে চলেন বিশেষ ডায়েট।
২১১
খাওয়াদাওয়ায় খুব একটা খুঁতখুঁতে নন। সাত্ত্বিক আহার পছন্দ করেন। জলখাবারে হালকা খাবার খান। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নিজের প্রাতরাশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সজনে পাতার পরোটা হোক বা চালে-ডালে খিচুড়ি, নিজেকে চনমনে রাখতে এই ধরনের খাবারেই বেশি আস্থা তাঁর।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, সুস্থ থাকার জন্য খুব বেশি কিছু দরকার নেই। হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার পরামর্শ তাঁর। মরশুমি সবজি খেতে ভালোবাসেন। এমনকী স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া খাবারেই নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন তিনি।
৪১১
চৈত্র নবরাত্রিতে একটি বিশেষ প্রথা রয়েছে। এই সময় দেশজুড়ে অনেকেই নিম ও মিছরি সেবন করে থাকেন। তিনিও এই সময় নিম গাছের কচি পাতা ও ফুল দিয়ে তৈরি রস খান। গ্রীষ্মের শুরুতেই এই ধরনের ডায়েট বেশ ফলপ্রসূ হয়।
৫১১
আয়ুর্বেদ মতে, গ্রীষ্মের আগে শরীরকে ঠান্ডা ও শান্ত রাখার জন্য নিম ফুল দারুণ উপকারী। এটি পিত্ত-নাশক হিসেবে কাজ করে। দক্ষিণ ভারতের বহু বাড়িতে গ্রীষ্মের শুরুতে নিম ফুল খাওয়ার চল রয়েছে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এবং মেটাবলিক রেগুলেশন হিসেবে কাজ করে।
নিম পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একই সঙ্গে ঋতু পরিবর্তনের সময় নানারকম সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এছাড়াও অন্ত্রের অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং কোলন পরিষ্কার রাখে।
৭১১
খাঁটি মিছরি বা খাদি শক্কর (Mishri) কাশি কমাতে সাহায্য করে। সহজে ঠান্ডা লাগে না। দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতেও মিছরি সহায়ক। রক্তাল্পতা ও অত্যধিক ক্লান্তিতে এটি কার্যকর।
৮১১
শারদীয় নবরাত্রির সময় প্রধানমন্ত্রী উপোস করেন। এই সময় তিনি শুধুমাত্র গরম জল পান করে থাকেন। যদিও তিনি জানান, উষ্ণ গরম জল পান করার এই অভ্যেস তাঁর বরাবরের। এটি তাঁর নিয়মিত ডেইলি রুটিনের মধ্যেই পড়ে। এর ফলে অন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে, একই সঙ্গে ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে।
৯১১
লেক ফ্রিডম্যানের পডকাস্টে প্রধানমন্ত্রী 'চতুর্মাস' প্রথার ঐতিহ্য ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। এটি এমন একটি প্রথা, যেখানে তিনি প্রায় সাড়ে চার মাস (মধ্য-জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত) ২৪ ঘণ্টায় মাত্র একবারই খাবার খান। ঋতু অনুযায়ী এই অভ্যাস তাঁর ফিটনেসের অন্যতম গোপন চাবিকাঠি।
১০১১
প্রধানমন্ত্রী মোদি সজনে পাতা দিয়ে তৈরি 'মোরিঙ্গা পরোটা' খুব পছন্দ করেন। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার কোনও তুলনা নেই। এর মধ্যে থাকা উচ্চ ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। যকৃত পরিষ্কার করে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে।
১১১১
পিএম মোদি খিচুড়ির খুব বড় ভক্ত। ফিটনেস বিশেষজ্ঞ লুক কুটিনহোর মতে, ৩০০ গ্রাম সাধারণ ডাল-খিচুড়ি থেকে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। এর সঙ্গে এক বাটি দই বা এক গ্লাস বাটারমিল্ক নিলে প্রোটিনের পরিমাণ আরও বাড়ে। ওজনের খেয়াল রেখে রাতের খাবারে খিচুড়ি খাওয়া সবচেয়ে ভালো। খাঁটি ঘি দিয়ে গরম খিচুড়ি খেলে তা হজম ক্ষমতা এবং পুষ্টির মাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে।