আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন ধ্বংস করে ফেলবে NASA! তৈরি হবে ‘মহাকাশ-শহর’
এটাই হতে চলেছে প্রথম বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৯:৪৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৯:৪৪
১১০
দিনে ২৪ ঘণ্টা। সপ্তাহে সাতদিন। ২০০০ সালের নভেম্বর থেকে নাসার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সব সময়ই কোনও না কোনও মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সিকি শতক পেরিয়ে এবার 'মৃত্যু'র নিকটে পৌঁছে গিয়েছে সেটি। ২০৩০ সালের মধ্যেই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে নাসা।
২১০
১৯৯৮ সালে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় আন্তর্জাতিক স্পেশ স্টেশনকে। এখনও পর্যন্ত ২৬টি দেশের ৩০০ জন মানুষ সেখানে গিয়েছে। চালিয়ে গিয়েছেন মহাকাশ গবেষণার কাজ। কিন্তু এই স্টেশনের মেয়াদ ছিল মাত্র ১৫ বছরের। যা ফুরিয়ে গিয়েছে বহুদিন আগেই।
এই স্টেশনের রক্ষণাবেক্ষণে নাসার সহযোগী আরও চার দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। রাশিয়ার রসকসমস, ইউরোপের ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি, জাপানের জাক্সা ও কানাডার সিএসএ। এটাই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় স্পেস স্টেশন।
৪১০
নাসার পরিকল্পনা, ২০৩০ সালের মধ্যেই স্পেস স্টেশনকে ধ্বংস করে প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে দেওয়া হবে। কিন্তু এই ধ্বংসের খবরের সঙ্গে সঙ্গেই রয়েছে সুসংবাদও!
৫১০
এবার 'মহাকাশ-শহর' চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা। যার নাম রাখা হয়েছে 'হ্যাভেন-১'। আসলে এটি প্রথম বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশন।
শুধু গবেষণা নয়, বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা যাবে একে। তবে নাসার এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও রয়েছে।
৭১০
চিনের রয়েছে তিয়াংগং স্পেস স্টেশন। যা এই মুহূর্তে নির্মীয়মাণ। ইতিমধ্যেই তা কার্যকর হয়ে গিয়েছে। যা ভবিষ্যতে মহাকাশচারীদের 'স্থায়ী' ঘর হতে চলেছে। সেই প্রকল্পকে একরকম চ্যালেঞ্জ জানিয়েই নাসা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে তাদের কাজ।
৮১০
নাসার পরিকল্পনা কেবলই গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং এবার স্পেস স্টেশনে নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র তৈরি করে ফেলাই লক্ষ্য তাদের। বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেখানে থাকবে ছোট ছোট কৃষিক্ষেত্রও! কৃষিকাজ চালিয়ে সেখানে দিব্যি বসবাস করা যাবে দিনের পর দিন। থাকবে আলাদা ঘুমের জায়গা, স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট সংযোগও। অর্থাৎ এখনকার চেয়ে পরিবেশ হবে অনেক বেশি আরামপ্রদ।
৯১০
সম্প্রতি মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে ভারতের একটি গর্বের যোগসূত্রও তৈরি হয়েছে।
১০১০
অ্যাক্সিওম-৪ মিশনে অংশগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পা রাখা ভারতের প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন শুভাংশু শুক্লা।
প্রবল বৃষ্টি এবং ভুটানের জলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গ। এই বিপর্যয়ে দার্জিলিংয়ের মিরিকে সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙে যায় রাস্তা, বহু জায়গায় নামে ধস। ভেঙে গিয়েছে বহু বাড়িঘর। একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর খবরও মিলেছে। ওই এলাকার মানুষের পাশে থাকতে এদিন সকালেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। নিজস্ব চিত্র
৪৯
স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁদের হাতে ত্রাণ তুলে দেন। বিপর্যয়ে স্বজনহারাদের পাশে থাকার বার্তাও দেন প্রশাসনিক প্রধান। নিজস্ব চিত্র
৫৯
এদিন বেলায় মুখ্যমন্ত্রী মিরিকে পৌঁছেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। মিরিকের একাধিক এলাকা ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। ধস বিধ্বস্ত এলাকাতেও তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন। নিজস্ব চিত্র
মিরিকের পর সুখিয়াপোখরি যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন তিনি। হেঁটেই বিভিন্ন জায়গা গিয়েছেন তিনি। নিজস্ব চিত্র
৭৯
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। হাতে তুলে দেন বাড়ি মেরামতির ১ লক্ষ টাকা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্যোগে সুখিয়াপোখরিতে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন। নিজস্ব চিত্র
৮৯
পাশাপাশি ওই এলাকায় দ্রুত অস্থায়ী ব্রিজ তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী কাল, বুধবার রিভিউ মিটিং হবে বলে খবর। নিজস্ব চিত্র
৯৯
উল্লেখ্য, রবিবার বিকেলেই উত্তরবঙ্গে পৌঁছেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দিনভর তিনি নাগরাকাটার একাধিক বিপর্যস্ত সেতু, রাস্তা, নদীবাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। ত্রাণ শিবিরে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেন। মৃতদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য ও সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন। নিজস্ব চিত্র
দেবী কালিকার ১১টি রূপ! গৃহস্থ বাড়িতে পূজিতা হন মাত্র দু’টি রূপে
জানুন মায়ের কোন রূপের কী মাহাত্ম্য।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৭:১৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৭:১৪
১১২
কালিকাপুরাণ ও অন্যান্য তন্ত্র গ্রন্থগুলিতে দেবী কালিকার বিভিন্ন রূপের বর্ণনা পাওয়া যায়। দেবী আদ্যাশক্তি। অর্থাৎ- স্থির, নিষ্ক্রিয় অবস্থায় তিনি ব্রহ্ম। ব্রহ্ম যখন সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখনই তিনি কালী রূপে প্রতিভাত হন। দেবীকে নানা রূপে আরাধনা করা হয়। মহাকাল সংহিতা অনুসারে কালীর ন'টি রূপ। আবার তোড়ল তন্ত্র অনুসারে কালী অষ্টধা—আটটি রূপ। তবে, কালীর বিশেষ ১১টি রূপই অধিক প্রচলিত।
২১২
দক্ষিণাকালী: গ্রাম বাংলায় দেবীকে বেশি পূজিত হতে দেখা যায় দক্ষিণাকালী রূপে। ইনি শ্যামাকালী নামেও পরিচিত। দেবী গায়ের বর্ণ নীল। গলায় থাকে মুণ্ডমালা। আশীর্বাদ ও অভয় মুদ্রা দেখা যায় ডান হাতে। বাঁ হাতে থাকে নরমুণ্ড এবং খড়্গ। এই কালীর নিচে দেবাদিদেব মহাদেব শায়িত অবস্থায় থাকেন।
শ্মশানকালী: এই দেবীর পুজো হয় শ্মশানে। কথিত আছে, ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে ডাকাতেরা এই কালীর পুজো করতেন। তন্ত্র ও মন্ত্র সহযোগে এই দেবীর পুজো দিতে হয়। এই পুজোর প্রধান আচার হল বলি দান।
৪১২
সিদ্ধকালী: সাধকরা সিদ্ধি লাভের জন্য এই পুজো করে থাকেন। অমাবস্যার দিনে এই কালীপুজো হয়ে থাকে।
৫১২
ফলহারিণী কালী: গৃহস্থ বাড়িতে বছরে একবার এই দেবীর পুজো করা হয়ে থাকে। বাড়িতে বাস্তু সমৃদ্ধিতে ও সংসারে সকলের মঙ্গল কামনায় দেবীর এই রূপকে পুজো করা হয়।