মন্দিরচূড়ায় ‘রামরাজ্যে’র গেরুয়া নিশান, একমঞ্চে মোদি-যোগী-ভাগবত, ছবিতে অযোধ্যা অধ্যায়
সম্পন্ন হল রামমন্দির নির্মাণের কাজ।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৪:০৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ১৪:০৬
১১১
রামমন্দির নির্মাণের কাজ শেষ। বিবাহ পঞ্চমীর পুণ্য তিথিতে ধ্বজারোহণের মাধ্যমে রামলালার ধর্মীয় আবাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: পিটিআই
২১১
গত বছর ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল অযোধ্যার রামমন্দিরে। তবে মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়নি। প্রায় দু’বছর পর মন্দির নির্মাণ শেষ হয়েছে। অর্থাৎ এই মন্দির এবার পুরোপুরিভাবে রামলালার ধর্মীয় আবাসে রূপান্তরিত হবে। ছবি: পিটিআই
এই বিষয়টিকে দ্বিতীয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা বলেও অভিহিত করছেন পুরোহিতদের একাংশ। কারণ ধ্বজারোহণের পর মন্দিরে ৪৪টি দরজাই খুলে দেওয়া হবে ধর্মীয় আচারের জন্য। ছবি: পিটিআই
৪১১
ধ্বজারোহণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বিবাহ পঞ্চমী তিথিকে। এই দিনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন রাম ও সীতা। এই দিনের অভিজিৎ মুহুরত পড়বে বেলা ১১টা ৫৮ মিনিট থেকে ১টা পর্যন্ত। ছবি: পিটিআই
৫১১
মঙ্গলবার সকালে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে রামমন্দিরে উপস্থিত হন মোদি। একসঙ্গে রামলালার আরতি করেন দু’জনে। তারপর বেলা ১১টা ৫০ নাগাদ শুরু হয় ধ্বজারোহণ পর্ব। ছবি: পিটিআই
নিচ থেকে ধীরে ধীরে মন্দিরে সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উঠে যায় ন্যায়ের ধ্বজা। গোটা প্রক্রিয়ার সময়ে আবেগঘন চোখে ধ্বজার দিকে তাকিয়ে ছিলেন মোদি। ধ্বজারোহণ পর্ব শেষ হতেই করজোড়ে নমস্কার করেন। ছবি: পিটিআই
৭১১
২২ ফুট লম্বা, ১১ ফুট চওড়া এই পতাকায় রয়েছে তিনটি চিহ্ন। সূর্য, ওম চিহ্ন এবং কোবিদার গাছের চিহ্ন থাকবে। এই তিন চিহ্নকে মূলত ‘রামরাজ্যে’র প্রতীক হিসাবে ধরে নেওয়া হয়। ছবি: পিটিআই
৮১১
সূর্যের মাধ্যমে ভগবান রামের সূর্যবংশী ঐতিহ্য, ওম চিহ্নের মাধ্যমে ভক্তি এবং কোবিদার গাছের মাধ্যমে প্রাচীন ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে এই ধ্বজায়। প্রায় তিন কিলো ওজন এই পতাকার। ছবি: পিটিআই
৯১১
গত ২৫ দিন ধরে গুজরাটে তৈরি হয়েছে এই পতাকা। গেরুয়া কাপড়ের উপর সোনার সুতোর কারুকাজে পতাকা তৈরি হয়েছে। ৪২ ফুট উঁচু দণ্ডে এই পতাকা বাঁধা থাকবে। মন্দিরের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ থেকে উড়বে গেরুয়া ধ্বজা। ছবি: পিটিআই
১০১১
ধ্বজারোহণ পর্ব শেষ হতেই ভাগবত বলেন, ”রামরাজ্যের ধ্বজা উড়েছে। এই নিশান প্রতীক… ধর্মধ্বজ। মন্দির তৈরি হতে বহু ঘাম-রক্ত ঝরেছে। অবশেষে সম্পূর্ণ হয়েছে নির্মাণ।"যে অযোধ্যা একসময় অরাজকতার প্রতীক ছিল, আজ তা সুশাসনের প্রতীক, বলেন যোগী। ছবি: পিটিআই
১১১১
মোদি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, "২০৪৭ সালে দেশ যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, আমরা গড়ে তুলব বিকশিত ভারত। রামস্বরাজ।" তাঁর বক্তব্যে মহিলা, দলিত, আদিবাসী, কৃষক- সমাজে সর্বস্তরের বিকাশের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: পিটিআই
কয়েকদিন আগেই রাজধানীর সমস্ত স্কুলে ‘বাহ্যিক কার্যকলাপ’ বন্ধ করে দেওয়া হয়। নির্দেশিকায় পরিষ্কার জানানো হয়, দিল্লি-এনসিআরের কোনও স্কুলেই যেন কোনও ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন না হয়। এবার রাজধানীর সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দিল দিল্লি সরকার।
৪৮
দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য চার স্তরীয় পরিকল্পনা রয়েছে ‘কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট’ (সিএকিউএম)-এর। একেই বলে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (জিআরএপি)।
৫৮
দিল্লিতে বাতাসের গুণমান ‘খারাপ’ হলে জিআরএপি-১ চালু করা হয়। এই সময় রাস্তায় মাঝেমধ্যে জল ছেটানো হয়। খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়। দূষণের মাত্রা অনুযায়ী ধাপে ধাপে জিআরএপি এক, দুই, তিন সংখ্যা বাড়ে। সেই মতো পদক্ষেপ করা হয়।
বর্তমানে রাজধানীতে জারি রয়েছে জিআরএপি-৩। যদিও পরিস্থিতি বিচার করে জিআরএপি-৪ বিধিনিষেধ জারির কথাও ভাবছে সিএকিউএম।
৭৮
দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস। তাই ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। সম্প্রতি তার ট্রায়ালও হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ ইতিমধ্যেই তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বাড়ছে দূষণ।
৮৮
বায়ুদূষণের প্রতিবাদে রবিবার ইন্ডিয়া গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান দিল্লিবাসীর একাংশ। অভিযোগ, তাঁরা রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা করেন। শুধু তাই নয়, পুলিশ কর্তাদের চোখে মরিচগুঁড়ো ছেটানোর চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরই এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ঘটনায় ১৫ থেকে ২০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
‘শোলে’ থেকে ‘সীতা আউর গীতা’, একনজরে ধর্মেন্দ্রর জীবনের ১০টি কালজয়ী ছবি
কোন কোন ছবি রয়েছে এই তালিকায় দেখে নিন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২৫, ২১:০৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২৫, ২১:০৯
১১০
কমেডি থেকে রোম্যান্স এমনকী অ্যাকশন, সমস্ত উপজীব্যই ভরপুর থাকে বরাবর তাঁর অভিনীত ছবিতে। তিনিই বলিউডের 'হিম্যান' ধর্মেন্দ্র। 'শোলে' ছবিতে তাঁর চরিত্র 'বীরু' আজও দাগ কাটে দর্শকের মনে। বলিউডের কাল্ট ক্লাসিক এই ছবিতে কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর অভিনয় আজো গেঁথে রয়েছে সকলের মনে। সঙ্গে 'জয়' অর্থাৎ অমিতাভের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের রসায়ন এক আলাদা সংজ্ঞা তৈরি করেছিল।
২১০
রাজ খোসলার পরিচালনায় 'মেরা গাঁও মেরা দেশ' ছবিতে ধর্মেন্দ্রর অভিনয় জীবনে কালজয়ী ছবিগুলির মধ্যে একটি। এই ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও ভোলেননি দর্শক।
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ছবি 'চুপকে চুপকে' ধর্মেন্দ্রর ফিল্মি জীবনের আর এক উল্লেখযোগ্য ছবি। গল্পের প্রেক্ষাপট, হাস্যরস ও বুদ্ধিদীপ্ততায় ভরপুর এই ছবি আজও দর্শকের মনে দাগ কাটে। ধর্মেন্দ্র এই ছবিতে স্ক্রিনশেয়ার করেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর, অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চনের সঙ্গে।
৪১০
বলিউডের 'হিম্যান'র 'ধরম বীর' ছবিও রীতিমতো জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিল বলা যায়। অ্যাকশন, ছবির গল্পে নানা টুইস্ট, সঙ্গে জীতেন্দ্রর সঙ্গে এই ছবিতে ধর্মেন্দ্রর যুগলবন্দি সবমিলিয়ে এই ছবি অন্যমাত্রা পেয়েছিল।
৫১০
প্রবাদপ্রতিম অভিনেতার ফিল্মি জীবনের আরও এক হিট ছবি 'ফুল আউর পাথর' বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ধর্মেন্দ্রর অভিনয়, এই ছবির গল্পের প্লট, ছবির মিউজিক সবমিলিয়ে ধর্মেন্দ্র অভিনীত এটি একটি কাল্ট ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
বসু চট্টোপাধ্যায়ের 'রমকম ঘরানার 'দিললাগি' ছবিঅ সমানভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এই ছবিতে দর্শকের কাছে উপরি পাওনা ছিল ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর যুগলবন্দি। পর্দায় দু'জনের উপস্থিতি, ছবির গল্প, সঙ্গীত সবমিলিয়ে এই ছবি এক আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছে সকলের মনে।
৭১০
সমস্ত ঘরানার ছবিতেই হাত পাকিয়েছেন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা। ১৯৬২ সালে ইন্দো-চিন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত 'হকিকত: স্যাক্রিফাইস ফর কান্ট্রি', ছবিতে বাহাদুর সিং চরিত্রে রীতিমতো তাক লাগিয়েছিলেন সকলকে।
৮১০
বিমল রায় পরিচালিত 'বন্দিনী' ছবিতে একজন চিকিৎসকের চরিত্রে বিশেষ নজর কেড়েছিলেন প্রবীণ অভিনেতা।
৯১০
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'অনুপমা' ছবিতে 'অশোক' চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। একজন স্কুলের শিক্ষকের চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
১০১০
রমেশ সিপ্পির পরিচালনায় সীতা আউর গীতা ছবিতে হেমা মালিনীর সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর যুগলবন্দি বিশেষ প্রশংসা পেয়েছিল। তাঁর ফিল্মি জীবনে এই ছবি এক মাইলস্টওন বলা যায়, যা আজও দর্শককে বিনোদনের রসদ জোগায়।