জাপানি ঢাক থেকে চিনা লায়ন ডান্স! ক্রাইস্টচার্চের পুজোয় বাঙালির সঙ্গে মিশে যায় বিশ্বের সংস্কৃতি
প্রবাসেও ঢাকে কাঠি!
প্রবাসেও ঢাকে কাঠি! যার স্বাদ একেবারে আলাদা। বাংলার মতো পেঁজাতুলো আর কাশফুল ভরা মাঠের দেখা না মিললেও এ এক অন্য অনুভূতি। ভুবনজুড়ে আগমনীর সুবাস। তা সে বাংলাতেই থাকুন কিংবা প্রবাসের ক্রাইস্টচার্চে। উৎসবের অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়ে যান প্রত্যেক বাঙালি। ক্রাইস্টচার্চের বাঙালি কমিউনিটির পুজো এবার ১০ বছরে পা দিল। ফলে এবার উন্মাদনা আরও বেশি। প্রত্যেক বছরেই নতুন কিছু তুলে ধরতে চান সেখানকার বাঙালিরা। এবারও তার অন্যথা...
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক হ্যাগলি ওভাল ক্রিকেট মাঠের কাছেই এই দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। যেখানে এবার একাধিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন পুজো উদ্যোক্তারা। যার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় ছিল চিনা প্রতিনিধিদের লায়ন ডান্স। উদ্যোক্তাদের কথায়, দেবী দুর্গা এবং তাঁদের লায়ন ডান্সের মধ্যে একটা যোগসূত্র পেয়েছেন কিউই-চাইনিজরা। সে কথা মাথায় রেখে লায়ন ডান্সের আয়োজন করা হয়। যেখানে ৫০০ জন দর্শকের সামনে বিশেষ প্রদর্শনী হয়।
অন্যদিকে ছিল বিশেষ ধরণের 'জাপানি' ঢাক। তাইকো হল এক ঐতিহ্যবাহী জাপানি ঢোল, যা বাজান জাপানি শিল্পীরা। সেই তাইকোর বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ছিল এই পুজোয়। এখানেই শেষ নয়, ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। পরিবেশন করা হয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ নামে বিশেষ নৃত্যনাট্য। যেখানে ৯ বছর বয়স থেকে ৮০ বছর বয়সের সকল মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। নিছকই নৃত্যনাট্য নয়, এর মাধ্যমে অসাধারণ প্রতিভা এবং শিল্পস্বত্বার প্রতিফলন ঘটেছে বলে মত উদ্যোক্তাদের।