এই সম্পর্ক ভাঙার যুগে রাজ-শুভশ্রী যেন এক অন্য নজির। যত সময় এগিয়েছে তত বেড়েছে তাঁদের ভালোবাসা।কখনও উষ্ণ পরশ তো কখনও আবার হেসে খুন তাঁরা, এমনই নানা মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন তারকাদম্পতি।
৪৭
ক্যাপশনে নীল রঙের দুটি হার্ট ইমোজির সঙ্গে জুড়েছেন একটি প্রজাপতি। তাঁদের রসায়ন দেখে বলাই যায় তাঁদের মনে এখনও প্রেমের প্রজাপতি রীতিমতো ডানা মেলে ওড়ে।
৫৭
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্ত্রীর প্রতি পরিচালক রাজের নানা মন্তব্যই বুঝিয়েছে যে তাঁরা ঠিক কতটা প্রেমে বাঁচেন।
২০১৮ সালে ছার হাত এক হয়েছিল রাজ-শুভশ্রীর। দুই সন্তান ইউভান-ইয়ালিনির মা-বাবা তাঁরা। শুটিং সামলেও সন্তানদের সমানভাবে সময় দেন দু'জনেই।
৭৭
একটু সময় পেলেই চলে যান বেরাতে। কাজেই বলা যায় যে তাঁদের দু'জনেরই পায়ের তলায় সরষে। সামনেই নায়িকার নতুন সিরিজ 'অনুসন্ধান' মুক্তি। যা মুক্তি পাবে আগামী ৭ নভেম্বর। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
শ্যামা আরাধনায় মেতেছে কালীক্ষেত্র কলকাতা, দেখুন কীভাবে সাজল শহরের নামী ৫ পুজো
দুর্গোৎসব, বিজয়ার আমেজ কাটতে না কাটতেই বঙ্গে শুরু শক্তি আরাধনা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ২০:১০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ২০:১০
১১১
দুর্গোৎসব, বিজয়ার আমেজ কাটতে না কাটতেই বঙ্গে শুরু শক্তি আরাধনা। সোমবার কালীপুজো হলেও শহরের নামী মণ্ডপগুলির প্রস্তুতির পালা শেষ। এমনকী দর্শনার্থীদের আগমনও শুরু হয়ে গিয়েছে। বারাসতে কালীপুজোর রমরমা হলেও পিছিয়ে নেই কালীক্ষেত্র কলকাতা। চলুন দেখে নেওয়া যাক এবার কোন ভাবনায় সেজেছে শহরের জনপ্রিয় পাঁচ পুজো।
সময়কে ধরে রাখা যায় না। কালের নিয়মেই তা 'বহমান'। এই সময়ে কখনও ঘটে প্রাপ্তিযোগ আবার কখনও বিয়োগ। শুধু তাই নয়, এক এক দিন পেরিয়ে আবারও বাংলার ঘরে আসেন দেবী দুর্গা, কালের নিয়মে চারদিন পরে ফিরে যান। আবার একটা বছরের অপেক্ষা। আর এই অপেক্ষার মধ্যেই থাকে এক আনন্দ। দেবী আসছেন...। সেই ভাবনা থেকেই বিজয়গড় ৬-এর পল্লীর পুজো মণ্ডপকে সাজিয়ে তুলেছেন শিল্পী সুশোভন।
৪১১
বড়িশা শান্তি সংঘের এবারের পুজোর থিম 'পরম্পরা'। সময়ের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে বাংলা এবং বাঙালির 'পরম্পরা'ও। হারিয়ে যাচ্ছে পাড়ার পুজোয় স্থানীয়দের আন্তরিকতা। তা মাথায় রেখেই এবারের বড়িশা শান্তি সংঘের পুজো মণ্ডপকে সাজিয়ে তুলেছেন শিল্পী মানস দাস।
৫১১
শিল্পীর কথায়, শহর কিংবা গ্রামের ক্লাব এবং পাড়াগুলিতে একসময় ছিল আন্তরিকতা। কিন্তু 'ডিজিটলাইজেশনে'র যুগে আজ সবাই ছুটছেন। আর এই ইঁদুর দৌড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সেই চেনা পরম্পরা। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা কী রেখে যাচ্ছি? তাই 'পরম্পরা' মনে করিয়ে এই পুজোয় আগতদের বিজয়ার মিষ্টি মুখ করাবেন উদ্যোক্তারা।
গিরিশ পার্ক ফাইভ স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের এবারের পুজোর থিম ' শাক্ত সুধা সিন্ধু'। শিল্পী দিপাঞ্জন দে-র ভাবনায় ফুটে উঠেছে মণ্ডপ। শুক্রবারেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের হাত ধরে এই পুজোর উদ্বোধন হয়।
৭১১
পুজোতে থিমের ছোঁয়া লাগলেও প্রতিমা কিন্তু সাবেকি। শুধু তাই নয়, এখানকার প্রতিমা দীর্ঘদেহী। প্রতিমা সজ্জায় স্বর্ণালঙ্কার ছাড়াও অপূর্বভাবে ব্যবহার করা হয়েছে শ্যামাসঙ্গীত লেখা সামগ্রী। তাতেই আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছেন শ্যামা মা।
৮১১
ডানলপের কাছে অন্যতম বড় পুজো হাওয়া সকাল। এবারে এই পুজোর থিম 'খেলাঘর'। শিল্পী অনির্বাণ দাসের ভাবনায় ফুটে উঠেছে পুজো মণ্ডপ। গতবছরেও এই শিল্পীর ভাবনাতেই সেজে ছিল হাওয়া সকাল।
যাদবপুরের শ্যামা পল্লি শ্যামা সংঘও প্রস্তুত দর্শনার্থীদের জন্য। এবার তাদের থিম '১৯৩৪ স্বদেশে তৈরি স্বদেশের জন্য। থিংকার্স গ্রুপের ভাবনায় সেজেছে এবারের পুজো মণ্ডপ।
১১১১
স্বদেশী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল কলকাতার তৈরি সুলেখার কালির। দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে তার। ব্রিটিশ আমলে এই কালির ব্যবহারেই স্বদেশি পণ্যের ডাক দিয়েছিলেন বিপ্লবীরা। সেই টুকরো ইতিহাসই এবার এই মণ্ডপের আকর্ষণ। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিমাও এখানে প্রতিবাদী। তাঁর হাতে ব্রিটিশ আমলের তেরঙ্গা। পুজো পরিক্রমায় এই মণ্ডপগুলি মিস করবেন না।
কাঁকল পড়ে কঙ্কালীতলায়, নলাটেশ্বরীতে কণ্ঠনালী! জানুন বীরভূমের ৫ সতীপীঠের মাহাত্ম্য
পাঁচটি সতীপীঠ ছাড়াও বীরভূমে রয়েছে সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১৭:২৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১৭:২৬
১৯
৫১টি সতীপীঠের পাঁচটি পীঠ রয়েছে বাংলার বীরভূমে। পুরাণ অনুসারে, দক্ষযজ্ঞে স্বামীর অপমান সহ্য করতে না পেরে দেহত্যাগ করেন দেবী সতী। তা জানার পর দেবীর দেহ নিয়ে প্রলয় নৃত্য শুরু করেন শিব। তাতে জগৎ সংসার ধ্বংসের উপক্রম হয়। মহাদেবকে থামাতে ভগবান বিষ্ণু সুদর্শনচক্রের মাধ্যমে দেবী সতীর দেহ খন্ডিত করেন। যেখানে যেখানে সতীর দেহাংশ পড়ে তৈরি হয় এক একটি পীঠ। তেমনই রয়েছে বীরভূমেও। সারাবছর পুজো তো হয়ই,...
২৯
সতীপীঠের অন্যতম বীরভূমের কঙ্কালীতলা। ধর্মীয় বিশ্বাস, সুদর্শনচক্রের আঘাতে দেবী সতীর কাঁকল অর্থাৎ কোমরের অংশ পড়েছিল বোলপুর শহর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে বোলপুর-লাভপুর রোড এলাকায়। সে থেকেই নাম কঙ্কালীতলা। এই মন্দিরের পাশেই রয়েছে পাড় বাঁধানো ছোট পুকুর। মনে করা হয়, এটাই আসল সতীকুণ্ড।
কথিত আছে, এখানে দেবী সতীর অস্থি এত জোড়ে এসে পড়ে যে কুণ্ডের সৃষ্টি হয়। কুণ্ড ৩টি সুড়ঙ্গের মাধ্যমে যুক্ত রয়েছে কাশীর মণিকর্ণিকা ঘাটের সঙ্গে। তাতে একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে সারাবছর জল আসে। তাই কখনও কঙ্কালীতলার কুণ্ড শুকনো থাকে না।
৪৯
৫১ পীঠের একটি পীঠ নলাটেশ্বরী। বীরভূমের নলহাটি স্টেশনের নিকটবর্তী স্থানে দেবী পার্বতীর কণ্ঠনালী পড়েছিল বলে বিশ্বাস। এই পীঠের নাম নলাটেশ্বরী। দেবী এখানে ত্রিনয়নী কালিকা রূপে পূজিত হন। এই সতীপীঠের নাম অনুসারে জায়গাটির নাম হয় নলহাটি। এই মন্দিরে বছরের ৩৬৫ দিনই দেবীকে অন্ন ভোগ দেওয়া হয়।
৫৯
সাঁইথিয়ার নন্দিকেশ্বরী মন্দির। ধর্মীয় মত অনুসারে, দেবী সতীর কণ্ঠহার এখানে পড়ে। দেবী নন্দিকেশ্বরীতে পূজিত হন নন্দিনী রূপে। মন্দিরে অবস্থান করেন ভৈরব। তিনি এখানে নন্দীকেশ্বর রূপে পূজিত।
এই নন্দিকেশ্বরী মন্দিরের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে সাধক বামাখ্যাপার সিদ্ধিলাভের কাহিনি। বিশ্বাস করা হয়, বামাখ্যাপা যখন তারাপীঠে গভীর সাধনায় মগ্ন, তখন মা তাঁকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে বলেন নন্দিকেশ্বরীতে তপস্যা করতে। একমাত্র এই রূপে মাকে পুজো করলেই সিদ্ধিলাভ করবেন।
৭৯
৫১ সতীপীঠের আরও একটি পীঠ বক্রেশ্বর। ঋষি অষ্টবক্র মুনির নাম অনুসারে এই জায়গার নাম হয়। মনে করা হয়, সতীর দুই ভ্রু-র মধ্যস্থল এখানে পড়েছিল। দেবী এখানে কালী নন, মহিষমর্দিনী দুর্গা রূপে পূজিত হন।
৮৯
ফুল্লরাপীঠ লাভপুরে। এখানে সতীর অধঃওষ্ঠ অর্থাৎ নিচের ঠোঁট পড়েছিল বলে বিশ্বাস। এখানে দেবী ফুল্লরা রূপে ও ভৈরব বিশ্বেশ্বর রূপে পূজিত হন। মন্দিরে নেই কোনও প্রতিমা। ভিতরে রয়েছে লাল রঙের বড় একটি পাথরের খণ্ড। এই রূপেই নিত্যপূজিত হন দেবী।
৯৯
এই পাঁচটি সতীপীঠ ছাড়াও বীরভূমে রয়েছে সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ। যা মা তারার মন্দির। এই মন্দিরের পাশের শ্মশান তন্ত্রসাধনার জন্য পরিচিত। বামাখ্যাপা দেবীর মূর্তিকে রক্ত মাংসের মায়ের মতো দেখতেন। তারাপীঠ মন্দির চত্বরেই তাঁর আশ্রম ও সমাধি রয়েছে।