অর্জুনের বাগদানের পর নয়া ইনিংস শুরু সারার, কন্যার কীর্তির সাক্ষী হতে উপস্থিত শচীন-অঞ্জলি
হাজির ছিলেন শচীনের হবু পুত্রবধূ সানিয়াও।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ২৩:৪৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ২৩:৪৭
১৮
বাবা ক্রিকেটের ঈশ্বর। তাঁর বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ক্রিকেট ব্যাট হাতে তুলে নিয়েছে গোটা বিশ্বের অগণিত মানুষ। কিন্তু তিনি-সারা তেণ্ডুলকর বরাবরই ক্রিকেট থেকে দূরে। তা বলে ফিটনেস নিয়ে যথেষ্ট সচেতন তিনি। এবার সেই ফিটনেস নিয়েই নতুন ইনিংস শুরু হল সারার।
২৮
সম্প্রতি শচীনকন্যা একটি স্টুডিও চালু করেছেন। যার নাম দিয়েছেন পাইলেটস অ্যাকাডেমি। যেখানে বিশেষ ধরনের শরীরচর্চা করা হবে। সারার নয়া ইনিংসের সাক্ষী ছিলেন শচীন নিজে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি এবং হবু পুত্রবধূ সানিয়া চন্দোক।
ঠিক কোন ধরনের শরীরচর্চা হবে এই স্টুডিওয়? জানা যাচ্ছে, পাইলেটস নামের এই বিশেষ অনুশীলনে শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। যা শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিক রাখা কিংবা শরীরের নমনীয়তা বজায় রাখবে। যার জন্য বিশেষ ধরনের ট্রেনারও থাকছে সারার স্টুডিওয়।
৪৮
বাড়িতে পুজো দেওয়ার পর এই স্টুডিও উদ্বোধন করে তেণ্ডুলকর পরিবার। কাটা হয় কেকও। স্টুডিও উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিল শচীন, অঞ্জলি ও সানিয়া। তবে অর্জুনকে এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। ছিলেন, সারার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীও।
Advertisement
৫৮
সোশাল মিডিয়ায় শচীন লিখেছেন, 'একজন অভিভাবক হিসেবে, আপনি সবসময় আশা করেন যে আপনার সন্তানরা এমন কিছু খুঁজে পাবে যা তারা সত্যিই ভালোবাসে। সারাকে একটি পাইলেটস স্টুডিও খুলতে দেখা, আমাদের হৃদয় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠার মুহূর্তগুলির মধ্যে একটি।'
শচীন আরও লিখেছেন, 'আত্মবিশ্বাস ও কঠিন পরিশ্রম নিয়ে সারা একাই যাত্রা করেছে। এর প্রতিটা ইঁট ওর একার গাঁথা। আমাদের জীবনে শরীরচর্চার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ও সেটাকেই ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা তোমার জন্য গর্বিত সারা। তোমাকে আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা।'
Advertisement
৭৮
কোনও খেলাধূলাকেই পেশা হিসাবে গ্রহণ করেননি শচীনকন্যা। যদিও যথেষ্ট ফিট তিনি। কিন্তু নিজে ক্রিকেটার হলেন না কেন? সেই প্রশ্নের জবাবে সারার সাফ বক্তব্য, “আমি খেলাধুলো নিয়ে কোনওদিন ভাবিইনি। ক্রিকেট এবং অন্যান্য খেলায় বরাবর আমার ভাই দক্ষ ছিল। কিন্তু ক্রিকেটকে কেরিয়ার হিসাবে বেছে নেওয়ার কথা ভাবিনি কখনও।”
৮৮
তবে শচীনপুত্র অর্জুন ক্রিকেটার হিসাবে এখনও সেভাবে সাফল্য পাননি নিজের কেরিয়ারে। দিনকয়েক আগে অবশ্য বাগদান সেরেছেন তিনি। পাত্রী সানিয়া চন্দোক আসলে মুম্বইয়ের বিখ্যাত ব্যবসায়ী রবি ঘাইয়ের নাতনি। হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় ঘাই পরিবারের নাম মুম্বইয়ে অত্যন্ত পরিচিত।
যাত্রা শুরু নতুন ৩ রুটে, মেট্রো সফরে মোদি, তেরঙ্গা হাতে লেন্সবন্দি কচিকাঁচারা
কলকাতার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ২২:১৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ২২:১৯
১৯
কলকাতার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পথচলা শুরু হল শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো রুটের। উদ্বোধন হয়ে গেল নোয়াপাড়া–বিমানবন্দর জয় হিন্দ, শিয়ালদহ–এসপ্ল্যানেড এবং বেলেঘাটা–(রুবির মোড়) হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মেট্রো রুটের।
২৯
এদিন প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে। তিনি বলেন, ''কলকাতার গণপরিবহণের খরচ আরও কমল। যাতায়াতের আরও সুবিধা হল। শিয়ালদহ, হাওড়ার মতো ব্যস্ত রেলস্টেশনের সঙ্গে মেট্রো জুড়ে গেল। তার ফলে এক ঘণ্টার সফর এখন কয়েক মিনিটে হয়ে যাবে।'' বিমানবন্দর থেকে শহরের অন্য জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলেও এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী।
মেট্রো আরও ২২ কিলোমিটার সম্প্রসারণ হবে। আশার কথা শোনালেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘কলকাতা মেট্রো আগে ২৮ কিলোমিটার বিস্তৃত ছিল। এখন আরও ৩৯ কিলোমিটার সম্প্রসারণ হল। আরও ২২ কিলোমিটার সম্প্রসারণ হবে।’’
৪৯
উদ্বোধন পরেই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের নিয়ে মেট্রোয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ বিমানবন্দর পর্যন্ত যান। কখনও তাঁকে কথা বলতে দেখা যায় শ্রমিকদের সঙ্গে, আবার কখনও যাত্রীদর উদ্দেশে হাতও নাড়েন।
৫৯
উদ্বোধনের পরেই শহরের তিন মেট্রো রুট যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। প্রথমদিনেই যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গিয়েছে। এমনকী বেশ কয়েকটি মেট্রোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ও হয়।
এদিন বেশ কয়েকটি রেককে ফুল দিয়ে সাজানো হয়। তেরঙ্গা হাতে কচিকাঁচাদের ভিড়ও দেখা গিয়েছে।
৭৯
পুজোর আগেই শহরবাসীর জন্য বড় উপহার। নয়া এই মেট্রো রুট খুলে যাওয়ায় যাতায়াতের সময় এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে আসবে। চার চাকায় যে পথ অতিক্রম করতে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে যায়, সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটেই পাতাল পথে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
৮৯
প্রশাসনিক সভা শেষ করে দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠে রাজনৈতিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি- শুভাশিস রায়।
৯৯
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে এদিন সত্যজিৎ রায়ের একটি ছবি তুলে দেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা। ছবি- শুভাশিস রায়।