একেক সময় একেকটি গান দখল নেয় সোশাল মিডিয়ার। এই মুহূর্তে নেট ভুবনে ছেয়ে গিয়েছে 'দামে উন গরর'। টিকটকে ৬০ লক্ষ ইউজার গানটি ব্যবহার করে তাঁদের ভিডিও বানিয়েছেন। অন্য মাধ্যমেও ভাইরাল এই গান। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠা এই গানটি গেয়েছন কেট লিন।
২৭
কেটের আসল নাম ক্যাটালিনা লোয়ানা ওটেলিনু। তিনি রোমানিয়ান পপ গায়িকা। বহু বছর ধরেই দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয়।
'দামে উন গরর' গানটির ভিডিও দুরন্ত বিট ও সহজ হুক স্টেপের কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ইউনিভার্সাল মিউজিক রোমানিয়া ও ক্রিয়েটর রেকর্ডস গানটি প্রকাশ করেছে।
৪৭
'দামে উন গরর'-এর অর্থ আমাকে গরর দাও! এখানে 'গরর' একটি প্যাশনকে বোঝাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
৫৭
গানে কেটের সঙ্গে দেখা গিয়েছে ফ্যান্টামেলকেও। মুখোশধারী এই সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব পপ সঙ্গীতের এক বিশ্বজোড়া পরিচিত মুখ।
তবে এই গানটির আগেও একের পর এক হিট গান উপহার দিয়েছেন কেট। 'ইওর লাভ', 'থান্ডারলাইক' বা 'চিকি চিকি'র মতো গান গত কয়েক বছরে সারা পৃথিবীর পপ শ্রোতার মন জয় করেছে।
Advertisement
৭৭
কেটের গান মানেই তা ভাইরাল। মনে করা হয় নিজের শিকড়ের প্রতি বিশ্বস্ত থাকাটাই তাঁর সাফল্যের মূল কারণ। রোমানিয়ায় বেড়ে উঠলেও কেটের গানে আধুনিক পপের সঙ্গে মিশে যায় বালকান লোকসঙ্গীত। বলে রাখা ভালো, এই লোকসঙ্গীতে ইসলাম ও খ্রিস্ট ঐতিহ্যের মিশেল লক্ষ করা যায়।
আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের ৪২ বছর বয়সি এমা হিকি তাঁর সঙ্গী স্টিফেন ব্রোঘাম এবং দুই সন্তানকে নিয়ে টেনেরিফের কোস্টা আদেজে ১২ দিনের ছুটির জন্য গিয়েছিলেন। ছুটির দশম দিনে মশার কামড় খেয়ে হঠাৎই তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী স্টিফেনের মতে, কামড়গুলো গোল গোল চাকার মতো সাঙ্ঘাতিক ভাবে ফুলে উঠেছিল।
২১০
মশার কামড় খাওয়ার পর এমা অস্বাভাবিক ভাবে ক্লান্ত বোধ করতে শুরু করেন। তাঁর শরীরের সমস্ত শক্তি যেন ফুরিয়ে আসে। এটি ছিল অসুস্থতার প্রথম লক্ষণ।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এমা স্থানীয় একটি হাসপাতালে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু এর পরেও শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।
৪১০
হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে, যখন তাঁরা একটি ফার্মেসিতে পৌঁছন, এমা হঠাৎ করেই হোটেলের সিঁড়িতে মাথা ঘুরে পড়ে যান।
৫১০
পড়ে যাওয়ার ফলে এমার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর খিঁচুনি শুরু হয়। তিনি মুহূর্তেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান করার পর দেখা যায় যে তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে।
৭১০
মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার পাশাপাশি, পড়ে যাওয়ার কারণে এমার ঘাড়ও ভেঙে গিয়েছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবণতির দিকে যেতে থাকে।
৮১০
পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর ছিল যে চিকিৎসকরা এমাকে কৃত্রিম কোমায় রাখার সিদ্ধান্ত নেন। মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণের জন্য তাঁকে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
৯১০
যদিও চিকিৎসকরা এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানাননি। তবে ঘটনার সময়কাল ও লক্ষণগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, মশার কামড়ের ফলে সৃষ্ট কোনও সংক্রমণ এমার স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। এই সংক্রমণ এমা হিকির শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অত্যন্ত দুর্বল করে দিয়েছিল। এর ফলে তিনি পড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন।
১০১০
এমা হিকি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা টেনেরিফে আটকা পড়েছেন। এই কঠিন সময়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। ঘটনা তা সে যতই তুচ্ছ হোক না কেন, তাকে হেলাফেলা করা একদমই উচিত নয়। কারণ এর থেকে অপ্রত্যাশিত মারাত্মক বিপদও আসতে পারে কখনও না কখনও। মশার কামড়ে কোমায় চলে যাওয়া এমা হিকি যেন এ শিক্ষাই দিয়ে গেলেন আমাদের।
বিয়ের বয়স মাত্র ১০ দিন, মৃত্যুর কয়েকঘণ্টা আগে স্ত্রীকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট, ছবিতে জোটার প্রেমকাহিনি
গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পর্তুগালের জাতীয় দলের তারকা ফুটবলারের।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৫, ১৬:৪৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৫, ১৬:৪৯
১১০
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পর্তুগাল এবং লিভারপুলের তারকা ফুটবলার দিয়োগো জোটা। স্পেনে আচমকাই তাঁর গাড়ির টায়ার ফেটে দুর্ঘটনা ঘটে। তারকা ফুটবলারের এহেন পরিণতিতে শোকস্তব্ধ গোটা দুনিয়া।
২১০
মাত্র ১০ দিন আগে নিজের ছোটবেলার বান্ধবীকে বিয়ে করেছিলেন দিয়োগো। ২০১২ থেকে দু'জনের প্রেম ছিল। তিনটি সন্তানও রয়েছে তাঁদের। ২২ জুন বিয়ে করেন দিয়োগো এবং রুট কার্ডোসো।
দু'জনের প্রেমকাহিনি শুরু হয় স্কুল থেকে। হাইস্কুলের বন্ধু ছিলেন দিয়োগো-রুট। সমবয়সি দু'জনের বন্ধুত্ব গভীর হয়, সেখান থেকে প্রেম। ২০১২ থেকে শুরু করে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত রুটকেই ভালোবেসে গিয়েছেন তারকা ফুটবলার।
৪১০
২০১৩ থেকে ফুটবলার হিসাবে কেরিয়ার শুরু করেন এফসি পোর্তো থেকে। সেই সময় থেকেই অনুচ্চারিত নায়কের মতো দিয়োগোর জীবনে থেকে গিয়েছেন রুট। নেপথ্যে থেকে সাহস জুগিয়েছেন।
৫১০
পর্তুগালের গণ্ডি পেরিয়ে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সে সই করেন দিয়োগো। প্রেমিকের সঙ্গে ইংল্যান্ড পাড়ি দেন রুটও। ফুটবল কেরিয়ারে দিয়োগো যেন কখনও একাকিত্বে না ভোগেন, সেজন্য সবসময়ে সঙ্গে সঙ্গে থেকেছেন রুট।
দীর্ঘ সাত বছর সম্পর্কে থাকার পর দিয়োগো-রুট ঘোষণা করেন, তাঁদের প্রথম সন্তান আসতে চলেছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জন্ম নেয় তাঁদের পুত্র ডিনিস। বছরদুয়েক পরে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তাঁদের দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম হয়।
৭১০
গত বছরের শেষদিকে দিয়োগো-রুটের কোল আলো করে আসে ফুটফুটে কন্যাসন্তান। তিন খুদেকে মানুষ করার দায়িত্ব নেন রুট। সবসময় দিয়োগোর পাশে দাঁড়াতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। দিয়োগোর পাশে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগের রেফারিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভও উগরে দিয়েছেন।
৮১০
তৃতীয় সন্তানের জন্মের পর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন দিয়োগো-রুট। ২২ জুন তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে চার্চে বিয় সারেন দু'জনে। সপরিবারে তাঁদের ছবিও পোস্ট করেন সোশাল মিডিয়ায়।
৯১০
মৃত্য়ুর কয়েকঘণ্টা আগেও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন দিয়োগো। বিয়ের দিনের কিছু মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, 'এই দিনটা জীবনে কোনওদিন ভুলব না।'
১০১০
কিন্তু কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ওলটপালট হয়ে গিয়েছে সবকিছু। দিয়োগো-রুটের রূপকথার প্রেমকাহিনি আচমকাই থেমে গেল নিয়তির আঘাতে। চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন সদ্য ইপিএল এবং নেশনস কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দিয়োগো।