আর্জেন্টিনার প্রথম ফুটবল বিশ্বজয়ের নেপথ্য নায়ক ভোপালে জন্মানো পাকিস্তানি কোচ! কীভাবে?
ভারতে মেসির গোট কনসার্ট শেষে গল্পটি আবারও প্রচারের আলোয় এসেছে।
আরও পড়ুন:
সেই সময় পাকিস্তান ছিল হকিতে অন্যতম শক্তিশালী দেশ। তা সত্ত্বেও ১৯৭১ সালের পর থেকে বিশ্বমঞ্চে বারবার শিরোপা জিততে ব্যর্থ হচ্ছিল। ১৯৭২ অলিম্পিকে দ্বিতীয়, ১৯৭৩ বিশ্বকাপে চতুর্থ, ১৯৭৫ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় এবং ১৯৭৬ অলিম্পিকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল তারা। এই পরিস্থিতিতে ওয়াহিদ খানের এমন মন্তব্য সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।
আরও পড়ুন:
সেই সময় তাঁরা নোটও নিয়েছিলেন। এমনকী তাঁকে পাকিস্তানের অনুশীলন সেশনেও দেখা গিয়েছিল। সমস্ত কিছুই আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। তখন পুল পর্ব শেষের দিকে। সেদিন ছিল বিশ্রামবার। পাকিস্তানের ম্যানেজার ওয়াহিদ খানকে জানানো হল, মেনোত্তি ব্যক্তিগত বিমানে করে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। এই ওয়াহিদ খান কিন্তু ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে পাকিস্তানের স্বর্ণপদক জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন।
দু'জনের মধ্যে কী কী আলোচনা হয়েছিল সেদিন? জানা যায়, মেনোত্তিকে কিছু কৌশল শিখিয়েছিলেন ওয়াহিদ। পাক ম্যানেজার জোর দিয়েছিলেন বিশেষ কিছু দিকে। যখন মাঝমাঠ অচল হয়ে পড়ে সেই সময় উইঙ্গারদের ব্যবহার করতে হবে। প্রতিপক্ষের রক্ষণে ফাঁক খুঁজে না পেলে মিডফিল্ডে বলের দখল রেখে তাঁদের হতাশ করতে হবে। এতে ডিফেন্ডাররা সামনে এগিয়ে আসতে বাধ্য হবে এবং ফলে ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে।
আর্জেন্টিনা প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ জেতার কয়েক সপ্তাহ পর ওয়াহিদ খান করাচিতে একটি টেলিগ্রাম পান। যা পাঠিয়েছিলেন সিজার লুইস মেনোত্তির। সেখানে তিনি স্বীকার করেন, পাকিস্তান হকি দলের কৌশলগুলো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ে কাজে লেগেছে। ভারতে লিওনেল মেসির গোট কনসার্ট সমাপ্ত হয়েছে। তাঁর মধ্যেই এই গল্পটি উঠে এসেছে প্রচারের আলোয়।