ছবির মতো সুন্দর গ্রাম রয়েছে ভারতেই, জানেন কোথায় আছে এই জায়গা?
ঘন নীল আকাশ, এঁকেবেঁকে চলে গিয়েছে রাস্তা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৭:৪০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৭:৪০
১৮
সুইজারল্যান্ড নয়, ছবির মতো এই জায়গা ভারতেই আছে। যেখানে পাহাড়ের উপর ভেসে বেড়ায় মেঘ। ঘন নীল আকাশ। এঁকেবেঁকে চলে গিয়েছে রাস্তা। হাতে গোনা কিছু বাড়ি পাহাড়ের কোলে। গাছে গাছে ফুটে আছে চেরি ফুল।
২৮
এই এলাকা দক্ষিণ সিকিমে। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ সিকিমের এই গ্রাম ঘিরে পর্যটনও শুরু হয়েছে বলে খবর। উত্তর সিকিমে নভেম্বরের শুরুতেই ভারী তুষারপাত হয়েছে। এদিকে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ সিকিমের দুটি উপজাতীয় গ্রাম, গাংচুং এবং বেন-এ এমন ছবির মতো সুন্দর পরিবেশ দেখা যায়।
দক্ষিণ সিকিমের টেমি-নামথিং নির্বাচনী এলাকায় ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পায়ুতোর হিসেবে চেরি ব্লসম উৎসব হয়। চেরি দক্ষিণ সিকিমের বাসিন্দাদের কাছে পায়ু গাছ নামে পরিচিত।
৪৮
চেরি ফুল ফোটার সময় থেকে সেখানে ধান কাটা শুরু হয়ে যায়। ওই ফুল ১৫ থেকে ২০ দিন থাকে। এছাড়াও সিকিমে গ্রামীণ পর্যটনের জন্য তিনটি নতুন গ্রাম চালু করা হবে। যার মধ্যে দুটি উপজাতীয় গ্রাম গাংচুং এবং বেন রয়েছে।
৫৮
এই অঞ্চলের গ্রামগুলিতে নতুন করে পর্যটনের দরজা খোলা হচ্ছে। মূলত গ্রামীণ পর্যটন বিকাশের জন্য ওই উদ্যোগ জানা গিয়েছে।
সিকিমের জন্য চালমথাং মডেল গ্রামীণ পর্যটন গ্রাম হিসেবে রয়েছে। উৎসবের মাধ্যমে সিকিমে প্রথমবারের মতো রাতের আকাশ দেখার ব্যবস্থা থাকবে।
৭৮
প্রায় সাড়ে ৯ হাজার ফুট উঁচু তেন্ডু পাহাড়ে একটি নতুন ট্রেক চালু করা হবে। পর্যটক টানতে নেপাল, সিকিম ও ভুটানেও পর্যটন উৎসব সম্প্রতি হয়েছে।
৮৮
সিকিমে প্রথম রাতের আকাশ দেখার জন্য জ্যোতির্বিদ্যা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বসছে টেলিস্কোপ। পর্যটকদের কাছে এইসব এলাকা অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভিয়েতনাম সফরে ট্রিপে মনামীর দোসর হয়েছিলেন তাঁর মা। ভিয়েতনামে এই প্রথম নয় এর আগেও গিয়েছেন মনামী। নিজের সঙ্গে মিল খুঁজে পান বলেই নাকি থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাপানের মতো জায়গা তাঁর পছন্দের তালিকায় থাকে সবসময়।
৯৯
নায়িকার পছন্দের ভিয়েতনাম সফরের ছবি দেখে কী ভাবছেন আপনিও বেড়াতে যাবেন? তাহলে আর দেরি কেন? প্ল্যান করে ঘুরে আসতেই পারেন ভিয়েতনাম থেকে। ছবি: সোশাল মিডিয়া
১৩ বছর পর ইডেনে টেস্ট হারল ভারত, কোন কোন ব্যর্থতায় ডুবল গম্ভীর ব্রিগেড?
গিল না থাকায় পন্থের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৬:৫৬
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৬:৫৬
১১০
নিজেদের ‘অর্ডারি’ পিচেই ফাঁসল ভারত। গৌতম গম্ভীরদের টার্নের দাবিতে যে পিচ বানানোর ‘নির্দেশ’ ছিল, তাতেই বিপদে পড়ল টিম ইন্ডিয়া। ইডেনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মাত্র ১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ৯৩ রানেই গুটিয়ে গেলেন ঋষভ পন্থরা। সিমন হার্মারের ঘূর্ণির কাছে ৩০ রানে পরাস্ত হল ভারত।
২১০
পিচে টার্ন চাই, টার্ন চাই। এই টার্নের নেশাতেই যেমন-তেমন অবস্থা হয়ে গেল ইডেনের পিচের। টেস্ট শুরুর তিনদিন আগে থেকেই পিচের উপর গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে। ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর যার মধ্যমণি। ইডেনের পিচ নিয়ে নাকি তিনি কোনও ভাবেই সন্তুষ্ট নন।
ভারতীয় দলের নয়া ত্রাস হয়ে দাঁড়াচ্ছে স্পিন। শুধু ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ হারা বা ইডেনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অসহায় আত্মসমর্পণ নয়, ভারতের স্পিন দুর্বলতা সম্প্রতি প্রকট হয়েছে একাধিক সিরিজে।
৪১০
পাটা উইকেটে খেলে অভ্যস্ত গিল, পন্থরা তাই বল একটু নড়লেই খেই হারিয়ে ফেলছেন। সেটা স্পিন হোক, বা সুইং। বল নড়লেই আর পা নড়ছে না। ফলে যা হওয়ার, সেটাই হচ্ছে। সিমন হার্মারকে বিশ্বমানের থেকেও সেরা বলে মনে হল। ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হলেন।
৫১০
গম্ভীরের ‘আবদার’ মতোই পিচে দু’দিন জল দেওয়া হয়নি বলে খবর। ফলে যা হওয়ার, তাই হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই পিচে ফাটল। বল বনবন করে ঘুরতে শুরু করেছে। ১৩ বছর ইডেনে টেস্ট হারল ভারত। শেষবার ২০১২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরেছিল।
দ্বিতীয় দিনে ঘাড়ে চোট পেয়েছিলেন শুভমান গিল। রাতেই মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে, গিলের পক্ষে ইডেনে দ্বিতীয় ইনিংসে আর ব্যাট করা সম্ভব নয়। এমনকী, আগামী ২২ নভেম্বর থেকে গুয়াহাটিতে শুরু হতে চলা সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও তিনি অনিশ্চিত।
৭১০
গতকালের চেয়ে গিলের ঘাড়ের সমস্যার উন্নতি অনেকটাই হয়েছে। এখনও কিছুটা স্টিফনেস রয়েছে। সঙ্গে হালকা যন্ত্রণা। দীর্ঘ সময় ‘নেক কলার’ পরে অপেক্ষা করলেও, অবস্থার বিশেষ উন্নতি না হওয়ায় গিলকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ৩০ রানে হেরেছে। গিল থাকলে ছবিটা অন্যরকম হতে পারত।
৮১০
তার সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিল নেতৃত্বও। ঋষভ পন্থের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রশ্ন উঠবে, দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়াশিংটন সুন্দর কেন বল করতেই এলেন না।
৯১০
একাধিক ডিআরএসের সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করলেন। আরেকটা বিষয় হল, তৃতীয় দিন সকালে পেস বোলিং এল প্রায় ৮ ওভার পর। যেখানে ভারতের কাছে জশপ্রীত বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজের মতো বোলার আছেন। বুমরাহ এসে জুটি ভাঙলেন। কিন্তু ততক্ষণে ৩০ রান তুলে ফেলেন বাভুমারা।
১০১০
লড়াই দিয়ে তারা বুঝিয়ে দিল, কেন দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। আর বাভুমা কেন এই দলটার অধিনায়ক। যেভাবে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে ৫৫ রান তুললেন, তা রীতিমতো শিক্ষণীয়। বিশেষ করে ‘স্পিন দুর্বল’ ভারতের তরুণ প্রজন্মের তো অবশ্যই দেখা উচিত।