নকভির ট্রফি ‘চুরি’ থেকে রউফের ‘বিমান ধ্বংস’, বিতর্কের জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকবে এশিয়া কাপ
একনজরে এবারের এশিয়া কাপের বিতর্কিত অধ্যায়গুলি।
এশিয়া কাপের ফাইনাল যেন ভারতীয়দের পালটা দেওয়ার মঞ্চ। প্রথম ইনিংসে হ্যারিস রউফকে আউট করার পর তাঁর বিমান নামানোর সেলিব্রেশনের পালটা দিয়েছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ। এবার পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে তাঁরই সেলিব্রেশনে নকল করে বাড়ি ফেরার রাস্তা দেখালেন জিতেশ শর্মা, অর্শদীপ সিং এবং হর্ষিত রানা। ট্রফি না থাকলেও চা খাওয়ার কাপ নিয়েই সেলিব্রেশন করেন বরুণ চক্রবর্তী। আবার ট্রফির ইমোজি নিয়েই সেলিব্রেশন অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিলের।
আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপের ফাইনালে টসে জেতেন সূর্যকুমার। টস পরিচালনা করার জন্য দু’জন সঞ্চালক মাঠে উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় রবি শাস্ত্রী ও পাকিস্তানি ওয়াকার ইউনিস। দুই দেশের অধিনায়করা অন্য দেশের সঞ্চালকদের সঙ্গে কথা বলবেন না, ধরে নিয়েই এই ব্যবস্থা। প্রোটোকল মেনে ম্যাচের আগে যে ফটোশুট হয়, সেটাতেও আপত্তি জানিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব।
আরও পড়ুন:
পাক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের সেলিব্রেশন নিয়েও বিতর্ক বেঁধেছে। সুপার ফোরের ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে হাফসেঞ্চুরি করেন ফারহান। তারপর ব্যাট উঁচিয়ে দর্শকদের অভিবাদন গ্রহণ নয়, গুলি চালানোর ভঙ্গি করেন পাক ব্যাটার! ক্রিকেট মাঠে সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন পাক ব্যাটার ফারহান, এমনটাই বলছে নেটদুনিয়া।
সুপার ফোরের ম্যাচে অভিষেককে লক্ষ্য করে পাক পেসার হ্যারিস রউফ কিছু একটা বলেন। এরপরেই কার্যত তেতে ওঠেন ভারতীয় ওপেনার। আরও বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ‘শর্মাজি কা বেটা’। ইশারা করে রউফকে চলে যেতে বলেন। দু’জনের মধ্যে কথাযুদ্ধও চলে। এগিয়ে আসেন শুভমান গিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষ পর্যন্ত মাঠের আম্পায়ার গাজি সোহেল মধ্যস্থতা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।