কাজের ফাঁকে সময় পেলেই অভিনেত্রী চলে যান বেড়াতে। নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নিতে কখনও ভোলেন না তিনি ।
৪৮
এই মুহূর্তে মালদ্বীপের বুকে ছুটি কাটাতে ব্যস্ত তারা সুতারিয়া। ইনস্তাগ্রামে সেই ছুটি কাটানোর নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তিনি নিজেই। কালো বিকিনিতে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লিখেছেন 'সপ্তাহান্তে ডলফিনদের আস্তানায়।'
৫৮
গায়িকা হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও গ্ল্যামার দুনিয়ার টান আমোঘ। সেই টানেই ক্যামেরার সামনে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ তারা সুতারিয়ার।
৬২ বছর দেশসেবার পর অবশেষে ছুটি, রইল মিগের বিদায় মুহূর্তের টুকরো ছবি
বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ অন্যান্য আধিকারিক ও সেনাকর্তারা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ২০:২৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ২০:২৪
১৯
৬ দশক ধরে পরিষেবা দেওয়ার পর অবশেষে অবসর নিল বায়ুসেনার একদা নায়ক মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান। এই বিদায় অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিল বায়ুসেনা।
২৯
৬২ বছর আগে ভারতের চণ্ডীগড় বায়ুসেনা ঘাঁটিতে প্রথম অবতরণ করেছিল মিগ। সেখান থেকেই বিরাট বিদায় সম্ভাষণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অবসর নেয় মিগ-২১ সিরিজের সমস্ত যুদ্ধবিমান।
মিগকে বিদায় জানানোর দিনে পুরনো স্মৃতি ফিরে দেখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, “যখনই আমরা কোনও ঐতিহাসিক মিশনে গিয়েছি, তখনই তেরঙ্গার গৌরব আরও বাড়িয়ে তুলেছে মিগ। দীর্ঘ ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে মিগের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল সাহস, ত্যাগ এবং দেশের গর্ব। একটা যুদ্ধ বা একটা অপারেশন নয়, দীর্ঘদিন ধরে মিগ ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে। কেবল একটা মেশিন বা একটা যুদ্ধবিমান নয়, আসলে ভারত এবং রাশিয়ার গভীর বন্ধুত্বের প্রমাণ...
৪৯
মিগ-২১ এর বিদায় অনুষ্ঠানে জাঁকজমকের কোনও খামতি রাখা হয়নি। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য মিগ-২১ এর সব পাইলটদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ অন্যান্য আধিকারিক ও সেনাকর্তারা।
৫৯
১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মিগ যেভাবে পাক সেনাকে নাকানি-চোবানি খাইয়েছিল সেই প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয় কৃত্রিমভাবে। চণ্ডীগড় বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তৈরি হয় যুদ্ধের মহড়া। অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় কীভাবে এই যুদ্ধবিমান শত্রু বিমানগুলিকে ধ্বংস করেছিল। উড়িয়ে দিয়েছিল মার্কিন এফ-১৬ বিমান।
দেশের বিমানবাহিনীতে যুক্ত হওয়ার মাত্র দু’বছরের মধ্যে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে পাকিস্তান বায়ুসেনার মুখোমুখি হয় মস্কোর তৈরি এই যুদ্ধবিমান। ওই সময়ে ভারতের লড়াকু পাইলটদের মিগ-২১ প্রশিক্ষণ ছিল অসম্পূর্ণ। তৎকালীন সময়ে বর্তমান সময়ের মতো রাডারের ব্যবস্থা ছিল না, ছিল না যুদ্ধের আধুনিক কৌশল। কঠিন সেই সময়েও মিগ-২১ ছিল অপ্রতিরোধ্য। পাকিস্তানের অসংখ্য যুদ্ধবিমানকে ধরাশায়ী করেছিল বায়ুসেনার এই নির্ভীক যোদ্ধা।
৭৯
মিগ-২১ অবসর নেওয়ার পর তার জায়গা নিতে চলেছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বায়ুসেনার সবচেয়ে হালকা যুদ্ধবিমান তেজস মার্ক ১এ। ৪.৫ জেনারেশনের এই যুদ্ধবিমান হালকা ওজনের হলেও মারণ ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা সজ্জিত।
৮৯
ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ৯০০টি মিগ-২১ ছিল। যার মধ্যে ৬৬০টি ভারতে নির্মিত। দশকের পর দশক ধরে এই যুদ্ধবিমানগুলিই দেশরক্ষার কাজ করেছে। সময়ে সঙ্গে সঙ্গে বাদ পড়েছে বায়ুসেনার এই পুরনো সদস্য। বর্তমানে ৩৬টি মিগ-২১ রয়েছে সেনার কাছে। সবগুলিকেই অবসরে পাঠানো হচ্ছে অবসরে।
৯৯
আধুনিক যুদ্ধের চাহিদা অনুযায়ী মিগ-২১ বৃদ্ধ। ১৯৭১ সাল থেকে প্রায় ৪০০টি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে এই বিমানে। যার জেরে ২০০ জনেরও বেশি পাইলট এবং ৫০ জনেরও বেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
ক্ষুধার ধারাবৃত্ত থেকে জোকারের যন্ত্রণাগাথা! দেখে নিন বেহালার নানা পুজোর ঝলক
পুজো মণ্ডপে ভিড় দর্শনার্থীদের।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৩৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:৩৫
১১০
পুজোর ঢাকে কাঠি। চতুর্থীর সকাল থেকেই বহু মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন ঠাকুর দেখতে। অনেক মণ্ডপই খুলে দেওয়া হয়েছে। বেহালার বারোয়ারি পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম নাম বড়িশা ক্লাব। এবারে বড়িশা ক্লাবের পুজো মণ্ডপের থিম শূন্য পৃথিবী। শিল্পী মানস দাসের ভাবনায় ফুটে উঠেছে এই কর্মকাণ্ড। বেশ কয়েক বছর হল সার্কাস দেখার সেই ঝোঁক আর মানুষের মধ্যে পাওয়া যায় না। শীতের ময়শুমে তাবু পড়লে গুটিকয়েক দর্শক সার্কাস দেখতে যান। নিজস্ব...
২১০
বহু সার্কাসের অনেক কর্মীই জীবনযুদ্ধে বাঁচতে পেশা বদল করেছেন। তবে সার্কাসের অন্যতম আকর্ষণ জোকাররা এখনও রয়ে গিয়েছেন। আর রয়েছে তাঁদের করুণ কাহিনি। সেই কাহিনিই এবার বর্ণিত হয়েছে বড়িশা ক্লাবের পুজো মণ্ডপে। এই মণ্ডপে জোকারদের লাইভ পারফরম্যান্সও দেখা যাবে। নিজস্ব চিত্র
বেহালার নজরকাড়া পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল বেহালা দেবদারু ফটকের পুজো। এবছরও পুজোর মণ্ডপ ও প্রতিমায় থিমের ছোঁয়া। এবারের থিমের নাম '১০ ফুট বাই ১০ ফুট'। শিল্পী অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃজনশীলতায় প্রাণ পেয়েছে এই ভাবনা। নিজস্ব চিত্র
৪১০
ব্যস্ততা ক্রমশ ঘিরে ধরেছে মানুষজনকে। পাশাপাশি মানুষের জীবন আরও সংকুচিত হয়েছে। ১০ ফুট বাই ১০ ফুটের একটি ছোট্ট ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে মানুষের জীবন। এবারের থিম মানুষের মনে দাগ কাটবে বলেই মনে করছেন শিল্পী ও পুজো উদ্যোক্তারা। নিজস্ব চিত্র
৫১০
বেহালা ফ্রেন্ডস-এর পুজোও এবার নজর কেড়েছে। এবার এই পুজোর থিম নবান্ন। এখানে দেবীর মাতৃরূপ। শিল্পী প্রদীপ দাস। ‘আজ পুজোতে আলো জ্বলে, কিন্তু ক্ষুধার অন্ধকার ভুলে যাওয়া যায় না।’ এভাবেই সমকালীন অথবা চিরকালীন এক অন্ধকার মিশে গিয়েছে ‘বেহালা ফ্রেন্ডস’-এর হীরকজয়ন্তীর বর্ষের পুজো ভাবনায়। নিজস্ব চিত্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন যে মন্বন্তর হয়েছিল বাংলায়, তার ছবি ধরা আছে বিজন ভট্টাচার্যের ‘নবান্ন’ নাটকে। এই পুজো মণ্ডপের ভাবনায় ফুটে উঠেছে ক্ষুধার যন্ত্রণা। আরবি ভাষার একটি কবিতা দর্শনার্থীরা শুনতে পাবেন মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশ করলেই। দেখতে পাবেন কবিতাটির বাংলা তর্জমাও। যা থাকবে মণ্ডপের ভিতরে। নিজস্ব চিত্র
৭১০
বেহালা নূতন দলের পুজোর মণ্ডপ ও প্রতিমা দেখতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষজন। এবার এই পুজোর থিম শিবানী ধাম। শিল্পী রণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরানার জলছাপ এবারও প্রকাশ পেয়েছে তাঁর কাজে। নিজস্ব চিত্র
৮১০
প্রতিবারই শিল্পী তাঁর কাজের মধ্যে দিয়ে একটি গল্প বলেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মধ্যপ্রদেশের এক রাজা এসে একটি মন্দির তৈরি করেছিলেন। নাম দেওয়া হয়েছিল শিবানী ধাম। সেই মন্দিরই এবার বেহালা নূতন দলের মণ্ডপে ফুটে উঠেছে। নিজস্ব চিত্র
৯১০
ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক সার্বজনীনের পুজোও কলকাতার অন্যতম পুজোগুলির মধ্যে পড়ে। এবারও থিমের ভাবনাতেই মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরি হয়েছে। এবার ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক সার্বজনীনের থিম মোগলমারি। শিল্পী রাজু সরকারের ভাবনায় ফুটে উঠেছে এই কাজ। নিজস্ব চিত্র
১০১০
পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারী এলাকায় বৌদ্ধদের একাধিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। অতীতে ওই এলাকায় বৌদ্ধদের বাস ছিল। ইতিহাস সেই সাক্ষ্যবহন করছে, ওইসব নিদর্শন পাওয়ার মধ্যে দিয়ে। ওই এলাকায় পর্যটনকেন্দ্র তৈরির মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা ও অর্থনৈতিক উন্নতির কথাও বলা হচ্ছে। থিমের মাধ্যমে সেই ইতিহাসের বার্তা দেওয়া হয়েছে। নিজস্ব চিত্র