এবার কেকেআরে ‘বাহুবলি’ সাংসদের ছেলে, নায়কোচিত চেহারার এই নাইটকে চেনেন?
সোশাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় নতুন নাইট তারকা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:২৩
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:২৩
১৮
আইপিএলের মিনি নিলামে সবচেয়ে সক্রিয় ছিল কেকেআর। ক্যামেরন গ্রিন, মাথিশা পাথিরানা, মুস্তাফুজির রহমানদের মতো তারকাদের ভিড়েও তুলনায় বেশ কিছু অখ্যাত বা অনভিজ্ঞ তারকাদের দলে ভিড়িয়েছে নাইটরা।
২৮
তেমনই একজনের নাম সার্থক রঞ্জন। সার্থক জন্মসূত্রে বিহারী হলেও থাকেন দিল্লিতে। খেলেনও দিল্লির হয়েই। সার্থক ডানহাতি পাওয়ার হিটার। সঙ্গে অফ ব্রেক বোলিং করেন। দিল্লির হয়ে ইদানিং বেশ নাম করেছেন।
এ পর্যন্ত আইপিএল বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও ম্যাচ খেলা হয়নি ২৯ বছর বয়সি অলরাউন্ডারের। তবে সম্প্রতি দিল্লির হয়ে বেশ নজরকাড়া পারফরম্যান্স রয়েছে তাঁর।
৪৮
২০২৬ মিনি নিলামে সার্থককে দলে নিয়েছে কেকেআর। তাঁর বেস প্রাইস ছিল ৩০ লক্ষ। ওই বেস প্রাইসেই অলরাউন্ডারকে দলে নিয়েছে নাইটরা। এই প্রথম আইপিএলে দল পেলেন সার্থক।
৫৮
আন্দ্রে রাসেল অবসর নেওয়ায় নাইটদের লোয়ার অর্ডারে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে। সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্য একাধিক তরুণকে সই করিয়েছেন নাইটরা। সার্থককেও সেই উদ্দেশেই কেনা। দেখতে হবে তিনি খেলার সুযোগ পান কিনা।
সার্থকের আরও একটি পরিচয় আছে। তিনি বিহারের বাহুবলি সাংসদ রাজীব রঞ্জন অর্থাৎ পাপ্পু যাদবের ছেলে। পাপ্পু পূর্ণিয়ার সাংসদ। কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। তবে জিতেছিলেন নির্দল হিসাবে। এলাকায় বাহুবলি হিসাবে খ্যাতি রয়েছে তাঁর।
৭৮
সার্থক দিল্লি ক্রিকেট সার্কিটে পরিচিত তাঁর ফিটনেস এবং নায়কোচিত চেহারার জন্য। নিয়মিত জিম করেন। দারুণ ফিট। ২৯ বছর বয়সি ওই ক্রিকেটার সোশাল মিডিয়াতেও প্রভাবশালী।
৮৮
ক্রিকেটার হিসাবে কেরিয়ারে যতটা এগিয়েছে, তার চেয়ে বেশি তিনি পরিচিত সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং সাংসদের সন্তান হিসাবে। যদিও এবার তাঁর কাছে সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে তাঁর কাছে।
সম্প্রতি দুয়া লিপা 'ডিস্কো বলে'র জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা একটি কালো নেটের গাউন পরেছিলেন। তবে একে পোশাক বলা দায়! কারণ নেটের অন্তরালে তাঁর শরীরী বিভঙ্গ আর স্পষ্ট নিতম্ব পশ্চিমী বিনোদুনিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছিল।
৪৮
মেট গালায় প্রথম পা রেখেই 'নগ্ন ফ্যাশনে' নজর কেড়েছিলেন লিসা। মেনসওয়্যার স্টাইলে তৈরি এই পোশাকের উপরের অংশ সিক্যুইন ব্লেজার হলেও নিচের অংশে অন্তর্বাস আর নেটের লেগিংস ছিল। চাবুক ফিগারের মালকিন লিসাকে নিয়ে কিন্তু কম চর্চা হয়নি চলতিবারের মেটগালায়।
৫৮
'স্ট্রেঞ্জার থিংস ৫'-এর এক অনুষ্ঠানে মিলি বনি বোঞ্জিওভি এমন একটি কালো পোশাক বেছে নিয়েছিলেন যা দেখলে পুরুষকুলের চোখ ফেরানো দায়! ডিপকাট নেক থেকে উঁকি দেওয়া সুডৌল স্তন আর আওয়ার গ্লাস শরীরী গড়নে লাল গালিচায় আগুন ঝরিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
২০২৫ সালে যদি কোনও সেলিব্রিটিকে 'নগ্ন পোশাকে'র ট্রেন্ডসেটার বলা হয়, তাহলে সেই খেতাব নিঃসন্দেহে সিডনি সুইনির প্রাপ্য। ক্রিশ্চিয়ান কাওয়ান কালেকশনের সিলভার চেইনমেইল গাউনে ঝড় তুলেছিলেন নায়িকা। যে পোশাকে স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল তাঁর স্তনবৃন্ত এবং প্যান্টি।
৭৮
জোয়ে ক্রাভিটজ ২০২৫ সালের ভ্যানিটি ফেয়ার অস্কার পার্টিতে সেন্ট লরেন্ট গাউনে লাল গালিচায় সকলকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছিলেন। যেখানে লম্বা দৈর্ঘ্যের পোশাক থেকে উঁকি দেওয়া নিতম্বই ছিল তাঁর ফ্যাশন স্টেটমেন্টের অন্যতম লক্ষ্য।
৮৮
খোলামেলা পোশাক পরে পঁচিশ সালে চর্চার শিরোনামে নাম লেখান 'স্প্লিটস ভিলা' খ্যাত খুশি মুখোপাধ্যায়। প্যান্টি না পরে রাস্তায় বেরনোয় গোপনাঙ্গ ঢাকতে হিমশিম খেতে হয় মডেল-নায়িকাকে। (ছবি- সংগৃহীত)
ঘাতকের নাম উষ্ণায়ন, আল্পসের গা থেকে আইসক্রিমের মতো গলে পড়ছে হিমবাহ!
দেখে নিন সেসব ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৮:৩৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৮:৩৪
১৭
সৌন্দর্য পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টিকর্মের মূল অনুপ্রেরণা। কখনও উত্তাল সমুদ্র, কখনও আদিগন্ত বিস্তৃত সবুজ খেত, কখনও আকাশছোঁয়া তুষারশুভ্র পাহাড়, পর্বত - এসবই তো কাব্য, চিত্র, সঙ্গীতের প্রকৃত আধার। গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মানুষের কাছে বরাবর পাহাড়, বরফ বাড়তি আকর্ষণের। সেই টানে কেউ হিমালয় তো কেউ সুদূর আল্পস পর্বতমালা দেখতে যান। তাল তাল হিমবাহে মোড়া সেসব জায়গা। এর মাঝে গিয়ে দাঁড়ালে মনে হবে যেন ইয়াবড় একটা ভ্যানিলা আইসক্রিম!
২৭
গত কয়েক বছরের পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, উষ্ণায়নে সবচেয়ে বেশি অভিশপ্ত হয়ে উঠেছে পৃথিবীর দুই মেরু। উষ্ণতাবৃদ্ধির হার এতটাই বেশি যে পাথরের মতো বিশালাকার হিমবাহ পলকে গলে জল হয়ে যাচ্ছে! শ্রী হারাচ্ছে আন্টার্কটিকা, ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের, প্রাণ হারাচ্ছে মেরুপ্রদেশের পশুপাখিরা, বাড়ছে জীবাণুর সংক্রমণ।
সম্প্রতি জুরিখের সুইস ফেডেরাল ইনস্টিটিউট এবং ব্রাসেলসের ভ্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল। বিখ্যাত 'নেচার' পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, ইউরোপের বৃহত্তম পর্বতমালা আল্পসের ক্ষয় শুরু হয়ে গিয়েছে। গবেষণায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ২০৩৩ থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে আল্পসের বরফ গলন সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে।
৪৭
গবেষণায় আরও বলা হচ্ছে, ২ হাজার থেকে ৪ হাজার হিমবাহ গলে যাবে আগামী দেড় দশকের মধ্যে। আর তত গরম হবে পৃথিবী। অঙ্কের হিসেব বলছে, ২.৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা বৃদ্ধিই শতাধিক হিমবাহ গলিয়ে দিতে পারে। সেই হিসেবে ২১০০ সালের মধ্যে আল্পসের মাত্র ৩ শতাংশ বরফ অবশিষ্ট থাকবে!
৫৭
আল্পসের বিখ্যাত মাঝারি মাপের রন হিমবাহ। গলতে গলতে এখন একেবারে ক্ষুদ্রতম অংশটুকু রয়ে গিয়েছে। সেই হিমবাহকে সামনে রেখে গবেষকদল জানাচ্ছেন, ১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অন্তত হাজারটি হিমবাহ স্রেফ উধাও হয়ে গিয়েছে! এমনই ঝুঁকির মুখে আল্পস ছাড়াও ককেশাস, আন্দিজ পর্বত।
গবেষক দলের এক সদস্য জুরিখের গ্লেসিওলজিস্ট ভ্যান ট্রিখট জানাচ্ছেন, এই হারে বরফ গলতে থাকলে আগামী ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হিমবাহের পরিমাণ অর্ধেক হয়ে যাবে।
৭৭
ভূবিজ্ঞানের অঙ্ক বলছে, দেড় ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বৃদ্ধির জন্য ৩০০০ হিমবাহ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, ২ ডিগ্রি বাড়লে আট শতাংশের মৃত্যু আর ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়লে ২০ টি হিমবাহ অবশিষ্ট থাকবে গোটা বিশ্বে। এই সময়টাকে বলা হচ্ছে হিমবাহ গলনের সর্বোচ্চ সময়। সুতরাং, শেষের সেদিন সমাগত। বরফগলা জলে পৃথিবী ভেসে যেতে আর বেশিদিন বাকি নেই।