ট্রফি জয়ের পরের মরশুমেই প্লে অফে উঠতে ব্যর্থ, কেন হতাশা নাইটদের? রইল ৭ কারণ
নিলামে ব্যর্থতা থেকে অহেতুক বিতর্ক, একাধিক ফ্যাক্টরে ব্যর্থ নাইটরা।
গত মরশুমে কেকেআর যখন চ্যাম্পিয়ন হল, তখন দলটাকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়েছিল। দু-একটা ম্যাচ বাদ দিলে অধিকাংশ ম্যাচে কোনওরকম চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হয়নি নাইটদের। অথচ এক মরশুম পরেই প্লেঅফে খেলার সুযোগটুকু অর্জন করতে পারল না নাইটরা। বস্তুত এই মরশুমে কেকেআরকে দেখে একবারও মনে হয়নি দলটা নিজেদের ট্রফি ধরে রাখার জন্য খেলছে। সেটার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভুল দল নির্বাচন: গোটা মরশুমে আন্দ্রে রাসেলের একটা সেট ব্যাটিং অর্ডার তৈরি করতে পারেনি নাইট ম্যানেজমেন্ট! ১৩-টা ম্যাচ খেলে ফেলেও ওপেনিং জুটির দুর্দশা কাটাতে পারেনি টিম। আনরিখ নখিয়ার মতো আগুনে গতির পেসারকে সাড়ে ছ'কোটি টাকা দিয়ে কিনে খেলানো হয়েছে সাকুল্যে একটা ম্যাচ। বরং 'নখদন্তহীন' স্পেনসর জনসনকে খেলিয়ে যাওয়া হয়েছে ম্যাচের পর ম্যাচ! বৈভব অরোরার মতো অতি সাধারণ পেসারের হাতে পাওয়ার প্লে-ডেথ বোলিংয়ের দায়িত্ব তুলে দেওয়া...
আরও পড়ুন:
বৃষ্টি: এবার কেকেআরের দু'টো ম্যাচ যদি বৃষ্টিতে পণ্ড। এর মধ্যে একটি ঘরের মাঠে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। যাতে প্রথমে ব্যাট করে ২০৭ রান তোলে পাঞ্জাব। পরে আর খেলা হয়নি। নাইট ম্যানেজমেন্ট মনে করে ওই ম্যাচটি জিততে পারত কেকেআর। আর দ্বিতীয় যে ম্যাচটি পণ্ড হল, সেটা চিন্নাস্বামীতে। শেষ ৬টা ম্যাচের ৬টায় যেখানে জিতেছে কেকেআর। সেটাও জেতার মতো ম্যাচ ছিল বলে নাইট ম্যানেজমেন্টের দাবি।
অল্পের জন্য হার: বৃষ্টিতে যদি দুটি ম্যাচ পণ্ড হয়ে থাকে, তা হলে দু'টো ম্যাচ নাইটরা হেরেছে স্রেফ নিজেদের দোষে। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে কেকেআর মাত্র ১১২ তাড়া করতে পারেনি। আবার ইডেনে লখনউয়ের দেওয়া ২৩৮ রানের টার্গেট প্রায় তুলে ফেলেছিল কেকেআর। একটা লম্বা সময় পর্যন্ত রাহানেদরই সম্ভাব্য জয়ী দেখাচ্ছিল। অথচ সেই ম্যাচ কেকেআর হেরে আসে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে। বিদঘুটে ব্যাটিং অর্ডার নির্বাচনের খেসারত দিয়ে।